একঝলকে ২০১৬-১৭ বাজেট

arnজাতীয় ডেস্ক ।। নিজের তৃতীয় বাজেটে আর্থিক সংস্কারের পথে হাঁটার সাহস দেখালেন না অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি। মূল ফোকাস রইল গ্রামোন্নয়ন ও কৃষিতে। আগামী ৫ বছরে কৃষকদের আয় দ্বিগুণ করার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে মোদী সরকার। এজন্য অতিরিক্ত প্রায় ৩৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। জোর দেওয়া হয়েছে গ্রামীণ উন্নয়নে। এই খাতে অতিরিক্ত ৮৭ হাজার ৭৬৫ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর ফ্ল্যাগশিপ প্রজেক্ট স্বচ্ছভারত অভিযানেও জোর দেওয়া হয়েছে। সমাজের পিছিয়ে পড়া শ্রেণির জন্য বিশেষ সুবিধার ব্যবস্থা রয়েছে বাজেটে। ১ ঘণ্টা ৪১ মিনিটে বাজেট পেশ শেষ করলেন অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি। আগামিকাল পর্যন্ত স্থগিত লোকসভার অধিবেশন।

দাম কমছে ফ্রিজ, ডায়ালেসিস মেশিন ও ব্রেইল পেপারের।
পরিষেবা কর বাড়ায় খরচ বাড়ছে রেস্তরাঁয় খাবার ও বিমান টিকিট কাটার ক্ষেত্রে।
দাম বাড়ছে কয়লার।
দাম বাড়ছে বিড়ি বাদে তামাকজাত দ্রব্যের।
দাম বাড়ছে সোনা ও হীরের গয়নার।
দাম বাড়ছে ব্র্যান্ডেড জামাকাপড়ের।
দাম বাড়ছে বিলাসবহুল গাড়ির। ১০ লাখ টাকার বেশি দামি গাড়িতে ১% হারে সেস।

PM MUDRA যোজনায় বরাদ্দ ১ লাখ ৮০,০০০ কোটি।
গৃহঋণে বাড়তি করছাড় ৫০০০০।
বাড়িভাড়ায় করছাড় বাড়ল। ২৪০০০ টাকা থেকে বেড়ে ৬০০০০ টাকা।
নতুন শিল্পোদ্যোগীদের ক্ষেত্রে প্রথম ৩ বছর কোনও কর নয়।
আয়কর ছাড়ের ঊর্ধ্বসীমা অপরিবর্তিত।
৫ লাখ টাকা পর্য়ন্ত বার্ষিক আয়ে ছাড় বেড়ে ২০০০ থেকে ৫০০০ টাকা। পেনশনের ৪০% আয়কর মুক্ত।

দেশ থেকে কালো টাকা নির্মূলে বদ্ধ পরিকর সরকার।
১৬০ টি বিমানবন্দর ও বিমানপোত আধুনিকীকরণে প্রত্যেকটির জন্য বরাদ্দ ৫০-১০০ কোটি টাকা।
চলতি আর্থিক বর্ষে রাজকোষে ঘাটতি ৩.৯%
২০১৬-১৭-র আর্থিক ঘাটতি ৩.৫% শতাংশের মধ্যে বেঁধে রাখার লক্ষ্যমাত্রা।
সর্বশিক্ষা অভিযানে ৬২টি নতুন কেন্দ্র।
কৃষকদের সারে ভর্তুকিতে আধার কার্ড। সার ও রেশনের ভর্তুকি সরাসরি অ্যাকাউন্টে।
মোটর ভেহিকল আইন সংশোধন।
পাবলিক সেক্টর ব্যাঙ্কিং পরিষেবায় জোর। বরাদ্দ ২৫০০০ কোটি।
খাদ্য প্রক্রিয়াকরণে ১০০ শতাংশ বিদেশি বিনিয়োগ। FDI নীতিতে পরিবর্তন।

চিটফান্ডের রমরমা রুখতে নতুন আইন।
৩ বছরে ১ কোটি যুবককে কারিগরী প্রশিক্ষণ।
পরমাণু শক্তি ক্ষেত্রে বরাদ্দ ৩০০০ কোটি।
নতুন সরকারি কর্মীদের PF দেবে সরকার। কর্মীদের অংশের টাকা প্রথম ৩ বছর সরকার দেবে। ৩ বছরের জন্য সুদের হার ৮.৩৩%।
১৫০০ মাল্টি স্কিল ডেভেলপমেন্ট সেন্টার তৈরি। বরাদ্দ ১৭০০০ কোটি।

সড়ক ও রেলের জন্য ২ লাখ ১৮ হাজার কোটি বরাদ্দ।
সড়ক ও হাইওয়ে উন্নয়নে ৯৭০০০ কোটি। ১০ হাজার কিমি জাতীয় সড়ক তৈরি করা হবে।
দেশজুড়ে আগামী ২ বছরে নবোদয় বিদ্যালয়। উচ্চশিক্ষায় আর্থিক অনুদান সংস্থা।
সিনিয়র সিটিজেনদের জন্য স্বাস্থ্যবিমার আওতায় অতিরিক্ত ৩০০০০ টাকা বরাদ্দ।
তফশিলি জাতি ও উপজাতি মহিলাদের জন্য ৫০০০ কোটি বরাদ্দ। SC/ST লগ্নিকারীদের জন্য বিশেষ হাব।
স্টার্ট আপ ইন্ডিয়ার জন্য বরাদ্দ ৫০০ কোটি।

প্রত্যেক BPL পরিবারের জন্য ১ লাখ টাকা স্বাস্থ্যবিমা।
গ্রামীণ এলাকায় ডিজিটাল স্বাক্ষরতায় জোর।
সুলভমূল্যে ওষুধের ৩০০০ দোকান।
গরিবদের LPG দিতে বরাদ্দ ২০০০ কোটি।
প্রতি গ্রাম পঞ্চায়েতে বরাদ্দ ৮০ লাখ।
বিদ্যুতায়নের আওতায় ৫৫৪২ গ্রাম। ২০১৬-র মধ্যে এই সংখ্যক গ্রামে বিদ্যুত পৌঁছাবে। ২০১৮-র ১ মে -র মধ্যে সারা দেশে বিদ্যুত।

স্বচ্ছ ভারত মিশনে ৯০০০ কোটি। শৌচালয়ের জন্য বরাদ্দ ৯০০০ কোটি।
কৃষিখাতে বরাদ্দ ৩৫,৯৮৪ কোটি টাকা। বাজার তৈরি হবে সংগঠিত কৃষিপণ্যের। কৃষিঋণ মকুবের সুবিধার্থে বরাদ্দ ১৫০০০ কোটি।
ডাল উত্পাদন বাড়াতে ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ।
১০০ দিনের কাজে বরাদ্দ ৩৮,৫০০ কোটি।
কৃষকজের জন্য ই-মার্কেটিং ব্যবস্থা চালু। বরাদ্দ ২০,০০০ কোটি টাকা।

গ্রাম-সড়ক যোজনায় ১৯,০০০ কোটি টাকা।
পরপর ২ বছর খরা গেছে। জোর “প্রধানমন্ত্রী সেচ প্রকল্প”। নতুন সেচ প্রকল্পে ১৭,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ।
২৮ লাখ হেক্টর জমি সেচের আওতায়। মার্চের মধ্যে আরও ২৩টি সেচ প্রকল্প শেষ হবে।
BPL -দের জন্য রান্নার গ্যাসে ভর্তুকি। বছরে ১৫টি সিলিন্ডারে ভর্তুকি।
মার্চের মধ্যে আরও নতুন জমিতে সেচ।

ব্যাঙ্কিং ও প্রত্যক্ষ বিদেশি লগ্নিতে জোর।
কৃষকদের জন্য “সয়েল হেল্থ কার্ড”। লক্ষ্য খাদ্য নিরাপত্তা।
২০২২ সালের মধ্যে কৃষকদের আয় দ্বিগুণ হবে
সরকারের হাতে টাকা কম। খুব কম খরচে প্রধানমন্ত্রী ফসল বিমা যোজনা। ফসল নষ্টে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।
বিদেশি মুদ্রার ভান্ডার ৩৫০ মিলিয়ন ডলার।

এক-তৃতীয়ংশ মানুষের জন্য স্বাস্থ্যবিমা।
গ্রামীণ ও সামাজিক আর্থিক পরিকাঠামোয় জোর।
GDP হার ৭.৬%। মুদ্রস্ফীতির হার অনেকটাই কমেছে। মুদ্রাস্ফীতির হার ৫.৪%।
“বিশ্বজুড়ে আর্থিক মন্দা চলছে। কিন্তু, দেশের আর্থিক বৃদ্ধির হার ঊর্ধ্বমুখী।”

FacebookTwitterGoogle+Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*