গোপাল সিং, খোয়াই, ০৮ সেপ্টেম্বর ।। “শান্তির বদলে শান্তি চাই, যুদ্ধ নয় শান্তি চাই, হিংসা নয় মৈত্রী চাই” যুদ্ধ বিরোধী মঞ্চের আহ্বানে বুধবার রাজ্য জুড়ে পালিত হয়েছে যুদ্ধ বিরোধী দিবস। যুদ্ধ নয় শান্তির স্বপক্ষে আহ্বানে খোয়াইয়ে যুদ্ধ বিরোধী মিছিলের অগ্রভাগে হাঁটলেন বিধায়ক পদ্মকুমার দেববর্মা, খোয়াই জিলা পরিষদের সহ-সভাপতি বিদ্যুৎ ভট্টাচার্য্য, শ্রমিক নেতা নির্মল বিশ্বাস, পুর পরিষদের ভাইস-চেয়ারপার্সন কানন দত্ত সহ অন্যান্যরা । খোয়াইয়ের কবিগুর পার্ক থেকে যুদ্ধ বিরোধী মিছিল বেরিয়ে খোয়াইয়ের বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করে। শান্তি মিছিলে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ছাড়াও সমাজের বিভিন্ন পেশার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি এবং যুবক-যুবতীরা অংশ নেন। চিকিৎসক, আইনজীবি, সাংবাদিক, সমাজসেবী, শিক্ষক, কর্মচারী, স্কুল ছাত্র-ছাত্রী সহ সমস্ত পেশার সাথে যুক্ত মানুষজন যুদ্ধ বিরোধী মিছিলে অংশ নিয়ে যুদ্ধের প্রতিবাদে সামিল হয়েছেন, যুদ্ধের বিপক্ষে মিছিল থেকে আওয়াজ তুলেছেন। মিছিল শেষে সুভাষপার্ক কোহিনুর কমপ্লেক্সের সামনে হয় সভা। মিছিলে হাঁটতে হাঁটতেই বিধায়ক পদ্মকুমার দেববর্মা বললেন, ১৯৩৯ সালের ১লা সেপ্টেম্বর জার্মানী পোলান্ড আক্রমণ করে দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের দামাম বাজিয়েছিল। আরেকটা বিশ্বযুদ্ধ মানেই পারমানবিক শক্তির লড়াই শুরু হওয়া। আর তাতে মুহুর্তেই মানব সভ্যতা ধ্বংশের কোলে চলে যাবে। কিন্তু আমরা যুদ্ধ চাইনা, শান্তি চাই, একতা চাই, আমরা উন্নয়ন চাই। আমরা একটা সুন্দর পৃথিবী চাই। এভাবেই যুদ্ধের বিপক্ষে এবং শান্তির স্বপক্ষে আওয়াজ তুললেন তিনি। অপরদিকে আন্তর্জাতিক যুদ্ধ বিরোধী দিবস হিসাবে ১লা সেপ্টেম্বরকে পালন করার জন্য পোল্যান্ডের বুদ্ধিজীবিরা সংগঠিত হয়ে যে সিদ্ধান্ত গ্রহন করেছিলেন ত্রিপুরা রাজ্যে গত ১লা সেপ্টেম্বর এই দিবসটি পালন করা সম্ভব হয়নি কারন ২রা সেপ্টেম্বর ছিল দেশব্যাপী সাধারন ধর্মঘট। তাই ৭ই সেপ্টেম্বর যুদ্ধ’র বিপক্ষে শান্তির স্বপক্ষে কর্মসূচী গ্রহন করা হয় সারা রাজ্যব্যাপী। বক্তা খোয়াই জিলা পরিষদের সহ-সভাধিপতি বিদ্যুৎ ভট্টাচার্য্য। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন বরিষ্ট আইনজীবি শৈলেন পাল, পুর পরিষদের ভাইস-চেয়ারপার্সন কানন দত্ত, পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান সহ অন্যান্যরা।
