মদন মিত্রকে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ আদালতের, কোর্টে ঢোকার মুখে বিক্ষোভ তৃণমূল কর্মী-সমর্থকের

Untitled-7কলকাতা, ১৩ ডিসেম্বর ।। আগামী ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত মদন মিত্রর সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দিল আদালত। সারদা কেলেঙ্কারি মামলায় ধৃত মদন মিত্রকে আলিপুর কোর্টে ঢোকার মুখে পুলিশের কনভয়ে বাধা তৃণমূলের। আটকে পড়ে মদন মিত্রর গাড়ি। বিক্ষোভ দলের কর্মী-সমর্থকের। মদন মিত্রর গাড়িতে পুষ্পবৃষ্টিও করা হল। আদালত চত্বরে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে কোনওমতে মদন মিত্রকে আদালতকক্ষে নিয়ে যায় পুলিশ। আদালতের ভেতরেও তৃণমূলপন্থী আইনজীবীদের বিক্ষোভ। সবমিলিয়ে সরগরম আদালত চত্বর।সমগ্র আদালত চত্বরই কার্যত তৃণমূলের দখলে চলে যায়। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআইয়ের গোয়েন্দাদের অনুমান, পরিবহণমন্ত্রীকে জেরা করে এ ব্যাপারে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে আসতে পারে। এর আগে আজ সকাল সোয়া ৬টা নাগাদ সিবিআই আফিসারদের উপস্থিতিতে ইলেকট্রনিক্স কমপ্লেক্স থানা থেকে মদন মিত্রকে সল্টেলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁকে প্রায় দেড় ঘণ্টা জেরা করা হয়। জেরা শেষে দুপুর আড়াইটে নাগাদ মদন মিত্রকে নিয়ে সিজিও কমপ্লেক্স থেকে আলিপুর আদালতের উদ্দেশ্যে রওনা দেন সিবিআই অফিসাররা।
আলিপুর আদালত চত্বরে সকাল থেকেই ছিল উত্তেজনা। মদন মিত্রকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে সকাল থেকেই তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। যে কোনও পরিস্থিতি মোকাবিলায়­ আলিপুর আদালত চত্বরকে নিশ্চিদ্র নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলে পুলিশ। সবকটি গেটে পুলিশ মোতায়েন করা হয়। বহিরাগতদের প্রবেশের ক্ষেত্রেও কড়াকড়ি করা হয়। প্রায় ৩০০ পুলিশ কর্মী আদালত চত্বরে মোতায়েন করা হয়। নিরাপত্তার দিকটি খতিয়ে দেখতে আদালত চত্বরে ঘুরে যান ডিসি সাউথ মুরলীধর শর্মা। আদালত চত্বরে ছিলেন উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্তারা। যে কোনও পরিস্থিতি ঠেকাতে কাঁদানে গ্যাস, গার্ড ওয়াল সহ সমস্ত সুরক্ষা ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে পুলিশের তরফে জানানো হয়ে। কিন্তু সমস্ত ব্যবস্থা সত্ত্বেও মদন মিত্রকে আদলতে ঢোকানোর সময় চরম বিশৃঙ্খলা দেখা গেল। এক্ষেত্রে পরিস্থিতি মোকাবিলার ক্ষেত্রে পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

FacebookTwitterGoogle+Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*