
আপডেট প্রতিনিধি, আগরতলা, ১৩ জানুয়ারি ৷৷ চাকুরিচ্যুত ১০,৩২৩ মামলায় নয়া মোড় নিল। চাকুরিচ্যুত ১০,৩২৩ শিক্ষকদের মধ্যে পিজিটি এবং জিটি শিক্ষকদের চাকুরি কন্টিনিউশন রাখার জন্য রায় দিল উচ্চ আদালত। জানা যায়, ৭ই মে ২০১৪ সালে তৎকালীন ত্রিপুরা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি দীপক গুপ্তা এবং বিচারপতি এস সি দাসকে নিয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চে ১০,৩২৩ মামলায় দেওয়া রায়ের ১২৭ নম্বর প্যারাতে উল্লেখ করেছিলেন, সংশোধিত নিয়োগনীতি বাতিল করলেও যাদের নিয়োগ নিয়ে আদালতে কোনও চ্যালেঞ্জ হয়নি, তাদের ক্ষেত্রে এই রায় কার্যকর হবে না।
কিন্তু আশ্চর্যের ব্যাপার হচ্ছে, তৎকালীন বাম আমলের সরকার এমং সরকারের আইনি পরামর্শদাতারা এই রায়ের ১২৭ নম্বর প্যারা সঠিকভাবে লক্ষ্যই করেনি। যার ফলে গত ২৩শে ডিসেম্বর ২০১৭ রাজ্যের শিক্ষা দপ্তর একসঙ্গে ১০,৩২৩ এর আওতায় সকল শিক্ষককে ছাটাইয়ের নোটিশ ধরিয়ে দেয়। তারপরের ঘটনা সকলেরই জানা।
গত ৮ই জানুয়ারি, ২০১৯ ত্রিপুরা হাই কোর্টের বর্তমান প্রধান বিচারপতি সঞ্জয় করোল এবং বিচারপতি অরিন্দম লোধকে নিয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চ ২০১৪ সালের দেওয়া সেই রায়টি উল্লেখ করে বলেন, পিজিটি এবং জিটি শিক্ষক যাদের নিয়োগ নিয়ে আদালতে কোনও চ্যালেঞ্জ হয়নি, তাদের চাকুরি কন্টিনিউশন বজায় রাখার জন্য। এই রায়ে উল্লেখ করেন, মামলার আবেদনকারীরা যেন রাজ্য সরকারকে এই ব্যাপারে অবহিত করে এবং রাজ্য সরকার যেন এই বিষয়ে আগামী দু’মাসের মধ্যে সিদ্ধান্ত গ্রহন করে। ডিভিশন বেঞ্চের চাঞ্চল্যকর এই রায়ে ১০,৩২৩ আওতাধীন পিজিটি এবং জিটি এবং তাদের পরিবার আশার আলো দেখলো বলাই বাহুল্য।
