আন্তর্জাতিক ডেস্ক ।। প্যারিসের শার্লি হেবদোর অফিসে ভয়াবহ জঙ্গি হামলা এখনো সেখানকার মানুষের চোখে আতঙ্ক ছড়িয়ে রেখেছে। একটি ইহুদি মার্কেটে এ হামলা সংঘটিত হয়। এ হামলার জিম্মি নাটকের মূল হোতা এমেডি কৌলিবেলির স্ত্রী হায়াৎ বউমিডিনি এখন ফ্রান্সের মোস্ট ওয়ান্টেড নারী।
অথচ নিজের মেয়ে যে এ ধরণের পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে পারে এ ধারণা ছিল না মেয়েটির বাবা মোহাম্মদ বউমিডিনির। তার কাছে রীতিমতো অবিশ্বাস্য এ ঘটনা। তিনি টেলিভিশনের পর্দায় নিজের মেয়ের ছবি দেখে আঁতকে ওঠেন। চিৎকার করে বলতে থাকেন, ও আমার মেয়ে! কীভাবে সম্ভব এটা?
হায়াৎ বউমিডিনি ও তার স্বামী এমেডি কৌলিবেলি ইহুদি মার্কেটে জিম্মি করে চারজনকে হত্যা করেছেন। পরে পুলিশের অভিযানে এমেডি মারা গেলেও হায়াৎ পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। ধারণা করা হচ্ছে তিনি সিরিয়ায় পালিয়ে গেছেন।
প্যারিসে এ ঘটনার পরই হায়াতের ছবি মোস্ট ওয়ান্টেড হিসেবে সংবাদমাধ্যমগুলোতে প্রচার শুরু হয়ে যায়। প্রতিবেশীরা জানান, এরপরই মোহাম্মদ বউমিডিনির ঘর থেকে চিৎকার আর কান্নার শব্দ শোনা যাচ্ছিলো।
পরে তিনি নিজেই পুলিশের কাছে যান। নিজের অবস্থানের কথা জানান। পুলিশও বলছে, এ ঘটনা জানার পর মোহাম্মদ বউমিডিনি বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন।
