জেলা হাসপাতালের ট্রোমা কেয়ার সেন্টার বাইক স্টেন্ডে পরিনত হয়ে রয়েছে

বিশ্বেশর মজুমদার, শান্তিরবাজার, ২৬ আগস্ট || দক্ষিন ত্রিপুরার জেলা হাসপাতালটি বর্তমানে শান্তিরবাজারে রয়েছে। রাজ্য সরকার চিকিৎসা পরিষেবা উন্নয়নে শান্তিরবাজার জেলা হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকায় ট্রোমা কেয়ার সেন্টার নির্মান করেছেন। বর্তমান সময়ে এই ট্রোমা কেয়ার সেন্টারে পরিষেবা প্রদান করা হচ্ছে। প্রতিনিয়ত দক্ষিন জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ইরামজেন্সি রোগিদের সমাগম ঘটছে। শান্তিরবাজার জেলা হাসপাতালে বর্তমানে ভালো পরিমানে চিকিৎসা পরিষেবা প্রদান করা হচ্ছে। এম এস ডাঃ জে এস রিয়াং সহ অন্যান্য চিকিৎসকদের অক্লান্ত পরিশ্রমে সকলে সঠিক পরিষেবা পাচ্ছে। ট্রোমা কেয়ার সেন্টারের সার্বিক নিরাপত্তায় ও দেখাশুনার জন্য আরক্ষা দপ্তর থেকেও কর্মী নিয়োগ করা হয়েছে।  কিন্তু দেখা যাচ্ছে জেলা হাসপাতালের চিকিৎসা পরিষেবাকে বদনাম করতে ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে বদনাম করতে ট্রোমা কেয়ার সেন্টারে সিটি স্কেনে কর্মরত কর্মী থেকে শুরু করে কিছু সংখ্যক কর্মী ট্রোমা কেয়ার সেন্টারটিকে নিজেদের বাইক রাখার স্টেন্ডে পরিনত করে রেখেছে।  ট্রোমা কেয়ার সেন্টারের মূল গেইটের সামনে বাইকের লম্বা লাইন। এছারা স্পেশাল যারা তারা তো ট্রোমা কেয়ার সেন্টারের ভিতরে বাইক পার্কিং এর ব্যবস্থা করে রেখেছেন। এই বিষয়ে কর্তব্যরত এক আরক্ষা দপ্তরের কর্মীর নিকট জানতে চাইলে তিনি জানান এগুলো স্টাফদের বাইক। আরক্ষা দপ্তরের কর্মীরা এই ব্যাপারে কোনোপ্রকার পদক্ষেপ গ্রহণ করছেনা। এতে সাধারন লোকজন প্রশ্ন করতে শুরু করছে হাসপাতাল কতৃপক্ষ কি স্টাফদের বাইক রাখার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করে রেখেছে। এইভাবে চললে কিছুদিন পরে স্টাফরা হাসপাতালের বিভিন্ন সামগ্রী নিজের মনে করে বাড়ী নিয়ে যাবে এবং হাসপাতালের রোগীদের না রেখে রোগী রাখার জায়গায় নিজেদের পরিবারকে রেখে সমস্ত সরকারি সুযোগ সুবিধা ভোগ করবে। এইভাবে বাইক রাখাকে কেন্দ্র করে এক রোগীর আত্মীয় পররিজন সংবাদমাধ্যমের সন্মুখিন হয়ে একরাশ ক্ষোভ উবরে দেন। তিনি জানান, প্রতিনিয়ত ট্রোমা কেয়ার সেন্টারে ইমারজেন্সি রোগী আসছে। বাইক রাখার জন্য এম্বুলেন্স সঠিকভাবে রাখাযায় না। এই বিষয়ে হাসপাতাল কতৃপক্ষের হস্তক্ষেপ দাবী করছে করছেন সকলে। না হলে আগামীদিনে সকলে হাসপাতালের স্টাফদের দেখাদেখি নিজেদের কষ্টে উপার্জিত বাইকটি ট্রোমা কেয়ার সেন্টারের ভিতরে রাখা শুরু করে দেবে এবং এটি একটি বাইক স্টেন্ডে পরিনত হবে। এখন দেখার বিষয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এই বিষয়ে কি প্রকার পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

FacebookTwitterGoogle+Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*