আন্তর্জাতিক ডেস্ক ।। আবারো কেঁপে উঠল নেপাল। মঙ্গলবার সকাল ৬টা ৩৯ মিনিটে মৃদু ভূকম্পন অনুভূত হয় কাঠমাণ্ডুতে। রিখটার স্কেলে কম্পনের তীব্রতা ছিল ৪। এবারের ভূমিকম্পের উত্সস্থল ধাদিং ও নুয়াকোট জেলার সীমান্তবর্তী এলাকা।
২৫ এপ্রিলের ভূমিকম্পে নেপালের সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর মধ্যে এই দুই জেলা অন্যতম। ৭.৯ তীব্রতার ভূমিকম্পে নেপালে মৃতের সংখ্যা ৭,৫০০ ছাড়িয়েছে। সেদিনের পর থেকে এখনো পর্যন্ত ১৪৩টি আফটারশক হওয়ায়, ভয়ে রয়েছেন নেপালের মানুষ।
এদিকে মঙ্গলবারই ভয়াবহ ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে পাপুয়া নিউ গিনির বিস্তীর্ণ অঞ্চল। রিখটার স্কেলে কম্পনের তীব্রতা ছিল ৭.৪। ভূমিকম্পের পর সুনামির সতর্কতা জারি করা হয়। ভূমিকম্পের উত্সস্থলের কাছে ছোট আকারে আছড়েও পড়ে সুনামি।
তবে সুনামির জলোচ্ছ্বাসের উচ্চতা ছিল এক মিটারের কম। ভূমিকম্পে কয়েকটি দেয়াল ভেঙে পড়া, বহুতলে চিড় ধরার ঘটনা ঘটলেও, বড়সড় কোনো ক্ষয়তক্ষতি হয়নি।
মঙ্গলবারের এই ভূমিকম্পের উত্সস্থল ছিল কোকোপো শহরের ১৩৩ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, ভূস্তর থেকে ৬৩ কিলোমিটার গভীরে। কম্পনের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে, প্রশান্ত মহাসাগরের সুনামি ওয়ার্নিং সেন্টারের তরফে বলা হয়ে, ভূমিকম্পের উত্সস্থল থেকে ৩০০ কিলোমিটারের মধ্যে আছড়ে পড়তে পারে সুনামির জলোচ্ছ্বাস।
সেজন্য গোটা উপকূলবর্তী এলাকাকে সতর্ক করা হয়। খুব ছোট আকারের সুনামি দেখা গিলেও বড়সড় কোনও সমস্যা দেখা না দেয়ায় পরে তুলে নেয়া হয় সুনামি সতর্কতা।
গত কয়েকদিনে বেশ কয়েকবার ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে পাপুয়া নিউ গিনি। ২৯ মার্চ ভূকম্পন হয় কোকোপো শহরের ৫৩ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে, যার তীব্রতা ছিল ৭.৫। ৩০ এপ্রিল হয় ৬.৭ তীব্রতার ভূকম্পন।
পরের দিনই আবার কেঁপে ওঠে কোকোপোর দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চল। রিখটার স্কেলে যার তীব্রতা ছিল ৬.৮। ওই অঞ্চলে আরও ভূমিকম্প হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা।
