খোয়াই থেকে গোপাল সিং-এর প্রতিবেদন, ৫ মে ।। রাজ্যে চিটফান্ডের প্রতারনার মাঝে আশার আলো দেখাতে শুরু করেছে সবার পরিচিত ডাকঘর। কিন্তু কমলপুর ডাকঘরে আমানতকারীদের অর্থ আত্মসাৎ করার ঘটনা সাধারন মানুষকে ভাবিয়ে তুলছে। তারপরও জনসাধারন ডাকঘরে সঞ্চয় করছেন। কিন্তু খোয়াইতে দীর্ঘদিন যাবত গ্রাহক হয়রানীর অভিযোগ উঠছে খোয়াই ডাক-ঘর কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। একরাশ ক্ষোভ নিয়ে বয়সের ভারে ন্ব্যুয়ে পড়া এক বৃদ্ধা জানালেন দীর্ঘ ৬-৭ কিমি পথ অতিক্রম করে এবয়সেও তিনি সোনাতলা থেকে মহারাজগঞ্জ বাজার স্থিত ডাক বিভাগে বিগত পাঁচ দিন যাবত আসছেন। কিন্তু কোন পরিষেবা পাচ্ছেন না। একই অভিযোগের সুর অন্যান্য গ্রাহকদের মধ্যেও। জরুরী প্রয়োজনে সবাই পোষ্ট অফিস থেকে টাকা তুলতে এসেও ব্যার্থ হচ্ছে। যুব থেকে বৃদ্ধ সবাই হয়রানীর কথা অকপটে স্বীকার করে নিচ্ছেন। এদিকে ডাক বিভাগের পোষ্ট মাষ্টার খোয়াই প্রতিনিধির এক প্রশ্নের উত্তরে জানালেন, অসমাপ্ত কাজগুলো মঙ্গলবার দুপুরের মধ্যেই সম্পন্ন করে গ্রাহকদের পরিষেবা দেওয়া হবে। কিন্তু বাদ সাধছে বিদ্যুত। যদিও ডাক ঘরে একখানা জেনারেটর রয়েছে। কিন্তু সেটি কিছুক্ষন পরপর বন্ধ হয়ে পড়ে। জেনারেটরের ব্যাটারি ভাড়া করা হলে, দুদিন যাবত পরিষেবা দিয়ে সেটিও এখন মিলছে না। পোষ্ট মাষ্টার বাবু আশ্বাস দিয়েছেন শীঘ্রই সমস্যার সমাধান হবে। কিন্তু খোয়াই ডাক ঘরের পরিষেবা নিয়ে প্রশ্ন আজ-কালের নয়, বহুদিন যাবতই। তাছাড়া কি কারনে জেনারেটর সারাই করা হচ্ছেনা সে বিষয়টিও তিনি এড়িয়ে যান। আর বিদ্যুতের সমস্যা দু’দিন যাবত, ৫-৭ দিন যাবত জনগন কেন খোয়াই ডাক ঘরের চক্কর কাটছেন, তার কোন সদুত্তর দিতে পারেন নি পোষ্ট মাষ্টার বাবু।
