আগরতলা, ৬ জুন ।। ত্রিপুরা মধ্যশিক্ষা পর্ষদ পরিচালিত ২০১৫ সালের উচ্চমাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক মাদ্রাসা আর্টস এবং মাদ্রাসা ফাজিল থিওলজি পরীক্ষার ফলাফল শনিবার সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত হয়েছে। ত্রিপুরা মধ্যশিক্ষা পর্ষদ –এর সভাপতি জানিয়েছেন, এবার উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় পাশের হার ৮১.০৭ শতাংশ। ২০১৪ সালে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় বসেছিল ২৪২৪৭ জন, এবছর পরীক্ষায় বসেছে ২৮২২২ জন যা গতবারের তুলনায় ১৬.৩৯ শতাংশ বেশী। ত্রিপুরা মধ্যশিক্ষা পর্ষদ পরিচালিত ২০১৫ সালের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রথম বিভাগে ১৮৬২ জন, দ্বিতীয় বিভাগে ৬১৬০ জন এবং তৃতীয় বিভাগে ১২৯৮৩ জন পাশ করেছেন। এডিসি তে পাশের হার ৬৬.৪০ শতাংশ, প্রথম বিভাগে ৬৫ জন, দ্বিতীয় বিভাগে ৫১৬ জন এবং তৃতীয় বিভাগে ২০৮৬ জন পাশ করেছেন।
ত্রিপুরা মধ্যশিক্ষা পর্ষদ পরিচালিত ২০১৫ সালের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার TOP 10 -এ প্রথম হয়েছেন বি বি ইন্সটিটিউশন থেকে অরিজিত দেবনাথ, তার মোট প্রাপ্ত নম্বর ৪৬০। দ্বিতীয় হয়েছেন উদয়পুর ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল থেকে সুপ্রাতিম দত্ত, তার মোট প্রাপ্ত নম্বর ৪৫০। তৃতীয় হয়েছেন শিশুবিহার স্কুল থেকে অরিন্দম ভৌমিক, তার মোট প্রাপ্ত নম্বর ৪৪৪। যুগ্ম ভাবে তৃতীয় হয়েছেন নেতাজী সুভাষ বিদ্যানিকেতন থেকে পুজা সাহা, তার মোট প্রাপ্ত নম্বর ৪৪৪। চতুর্থ হয়েছেন নেতাজী সুভাষ বিদ্যানিকেতন থেকে নেজবানা নাহির বেগম, তার মোট প্রাপ্ত নম্বর ৪৪১। পঞ্চম হয়েছেন নেতাজী সুভাষ বিদ্যানিকেতন থেকে প্রিতম পাল, তার মোট প্রাপ্ত নম্বর ৪৩৭। ষষ্ট হয়েছেন বেলোনিয়া বিদ্যাপীঠ স্কুল থেকে আকাশ দে, তার মোট প্রাপ্ত নম্বর ৪৩৫। যুগ্ম ভাবে ষষ্ট হয়েছেন ধর্মনগর গভঃ গার্লস স্কুল থেকে মধুলিমা দেব রায়, তার মোট প্রাপ্ত নম্বর ৪৩৫। সপ্তম হয়েছেন শিশুবিহার স্কুল থেকে সুপ্রতিম চন্দ, তার মোট প্রাপ্ত নম্বর ৪৩০। অষ্টম হয়েছেন শিশুবিহার স্কুল থেকে মধুমন্তি চৌধুরী, তার মোট প্রাপ্ত নম্বর ৪২৮। নবম হয়েছেন জোলাইবাড়ী স্কুল থেকে অঙ্কুরিতা দে, তার মোট প্রাপ্ত নম্বর ৪২৭। যুগ্ম ভাবে নবম হয়েছেন নেতাজী সুভাষ বিদ্যানিকেতন থেকে অন্তিমা বৈদ্য, তার মোট প্রাপ্ত নম্বর ৪২৭। আরেকজন নবম হয়েছেন বি বি ইন্সটিটিউশন থেকে প্রীতম দেবনাথ, তার মোট প্রাপ্ত নম্বর ৪২৭। দশম হয়েছেন নেতাজী সুভাষ বিদ্যানিকেতন থেকে সৌগত সাহা, তার মোট প্রাপ্ত নম্বর ৪২৬।
ফলাফল প্রকাশের পরই সারা ত্রিপুরায় মোট ৯টি মার্কশিট বিতরণ কেন্দ্রের মাধ্যমে সকল বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে পরীক্ষার্থীদের মার্কশিট ও পাশ সার্টিফিকেট পৌঁছানো হয়েছে।
