বাংলাদেশে হিন্দু পরিবারের উপর অমানবিক নির্যাতনে প্রাণ বাঁচাতে খোয়াই আশারামবাড়ী সীমান্তে ৪ পরিবার আশ্রয় চাইল BSF-র কাছে

bd1গোপাল সিং, খোয়াই, ৩০ জুন ।। প্রতিবেশী রাষ্ট্র বাংলাদেশ। প্রায়শ:ই সেখানকার পরিস্থিতি হয়ে পরে উত্তপ্ত। বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দু পরিবারের উপর নির্যাতন নতুন কিছু নয়। আবারো সেই একই কারনে মঙ্গলবার দুপুরে সিলেট জেলার হবিগঞ্জ থানার জাম্বুরাছড়া এলাকার ৪ পরিবারের ১৮ জন বাংলাদেশী নারী-পুরুষ প্রাণ বাঁচাতে আর্জি নিয়ে হাজির হলেন খোয়াই আশারামবাড়ী ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত কাঁটাতারের বেড়া সংলগ্ন স্থানে। সংখ্যালঘু হিন্দু পরিবারের বসত ঘর আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ মুসলিম সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে। বাংলাদেশে এই উত্তপ্ত পরিস্থিতি এবং নিজেদের প্রাণ বাঁচানোর তাগিদে আশ্রয় নেওয়া ৪ পরিবার মঙ্গলবার দুপুর থেকেই খোয়াই বন বাজার সীমান্তে কাঁটা তারের বেড়ার পাশে অস্থায়ী তাবু করে স্থানীয় বিএসএফ-এর কাছে আশ্রয় ও নিরাপত্তা দাবী করে। গোয়ালা ও চাষা সম্প্রদায়ভুক্ত ১৮ জন বাংলাদেশী নাগরিকদের স্থানীয় বিএসএফ খাবার ও পানীয় জল প্রদান করে। পরবর্তী সময় মঙ্গলবার বিকেলে বিজিবি ও বিএসএফ বাংলাদেশের জাম্বুরা ছড়া এলাকায় পতাকা ফ্ল্যাগ মিটিং করে আক্রান্ত ও নির্যাতিতদের দেশে ফিরিয়ে নেয় বিজিবি। ঘটনার বিবরনে জানা যায়, কাঁটা তারের বাইরের ভারতীয় কৃষি জমি চাষাবাদ করার জন্য ভারতীয় কৃষকরা ঐ ৪ হিন্দু পরিবারের কাছে দায়িত্ব দিতেই শুরু হয় ঝগড়া ও বিবাদ। বাংলাদেশের স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায়ের বক্তব্য ভারতীয় কৃষিজমি তারা চাষ করতে পারবেনা। দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে এনিয়েই মতানৈক্য দেখা দেয়। মঙ্গলবার দুপুরে বিজিবি-দের উপস্থিতিতে ৪ হিন্দু পরিবারের উপর হামলা চালানো হয় এবং তাদের বসত ঘর আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। ৪ হিন্দু পরিবারের অভিযোগ বিজিবি’র সামনেই তাদের পরিবারের মা ও বোনদের উপর ঝাপিয়ে পড়ে ঐ সম্প্রদায়ের লোকজন। এই ঘটনায় ভারতীয় সীমান্তে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।

FacebookTwitterGoogle+Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*