ছাত্র-ছাত্রীদের শারীরিক সুরক্ষার পরিপন্থী নতুন শিক্ষানীতি – সম্রাট

hvআপডেট প্রতিনিধি, আগরতলা, ০৫ অক্টোবর ৷। রাজ্যের শিক্ষা মন্ত্রক রাজ্যে শিক্ষা ব্যবস্থা ও বিদ্যালয় পরিচালনা বিষয়ে এক নতুন বিবৃতি প্রকাশ করেন। এই বিবৃতিতে বলা হয় ৫ই অক্টোবর থেকে রাজ্যের সকল বিদ্যালয়ে ৫০% করে শিক্ষকদের পর্যায়ক্রমে উপস্থিত থাকতে হবে এবং তৎসঙ্গে নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্র ছাত্রীরা অভিভাবকের অনুমতি ক্রমে পঠনপাঠনের অসুবিধাগুলির সমাধানের জন্য বিদ্যালয়ে যেতে পারবেন।
সোমবার কংগ্রেসের ছাত্রনেতা সম্রাট রায় এক বিবৃতিতে জানান, একটি অসমর্থিত সূত্রের খবর অনুযায়ী আগামী ১৫ই অক্টোবর থেকে প্রাইমারি ও আপার প্রাইমারির ছাত্রদেরও বিদ্যালয়ে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে। এই সকল বিষয় নিয়ন্ত্রণ করার অধিকার বিদ্যালয় পরিচালন কমিটির হাতে দেওয়ার কথাও বলা হয়। রাজ্যের মধ্যে ইতিপূর্বেও নাইবারহুড ক্লাসের নামে বিদ্যালয় খোলা হয়েছিল কিন্তু এই বিষয়ে সরকারের অপরিকল্পিত ও অনভিজ্ঞতার জন্য প্রচুর পরিমাণে করোনা সংক্রমণের হার বৃদ্ধি পায়। অতঃপর চারদিক থেকে এই ক্লাসের ব্যপক সমালোচনার জেরে সরকার বাধ্য হয়েছিলেন নাইবারহুড ক্লাস বন্ধ করতে। এদিন তিনি বলেন, এই নতুন শিক্ষা বিবৃতিতে আবার নতুন করে ক্লাস শুরু করার ব্যপার নিয়ে রাজ্যে শুরু হয় চাপা উত্তেজনা। ছাত্র সহ অভিভাবকদের মনে আতঙ্ক সংক্রান্তি হওয়ার। শ্রী রায় বলেন, স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠেছে এই নতুন ব্যবস্থা কি নাইবারহুডের মতোই অপরিকল্পিত সিদ্ধান্ত? এই শিক্ষা বিবৃতিকে অপরিকল্পিত ও অমানবিক সিদ্ধান্ত আক্ষায়িত করেন রাজ্যের ছাত্র আন্দোলনের পুরোধা ব্যক্তিত্ব লড়াকু ছাত্রনেতা সম্রাট রায়। তিনি বলেন, এই সরকার ছাত্রদের সুরক্ষার বিষয় সুনিশ্চিত না করে এই ব্যবস্থা চালু করেছে তাই তিনি এর সমর্থন করেন না। তিনি প্রশ্ন তোলেন যে ছাত্রদের শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখে বিদ্যালয়ে ক্লাস চালানো সত্যিই কি সম্ভব? আর ছাত্ররা কতক্ষণ পর্যন্ত মুখে মাক্স পড়ে থাকতে পারবে। এই সমস্ত প্রশ্ন উত্থাপন করে সম্রাট রায় বলেন, “জান হে তো জাহান হে” তাই শিক্ষা বিবৃতি প্রত্যাহারের জন্য দাবি জানান তিনি। পাশাপাশি ৪৮ ঘন্টার মধ্যে এই নিয়ম প্রত্যাহার না করলে রাজ্যে ব্যাপী ছাত্রসুরক্ষা আন্দোলন সংগঠিত করা হবে বলেও জানান তিনি।
FacebookTwitterGoogle+Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*