আপডেট প্রতিনিধি, আগরতলা, ২০ জুলাই ৷৷ ঋতু বৈচিত্রের মতো এক একটা উৎসব ভিন্ন মাত্রা নিয়ে হাজির হয়। চতুর্দশ দেবতার মন্দিরে খার্চি উৎসব কোনো এক সময় রাজ্যের উপজাতি সম্প্রদায়ের পূজো হিসাবেই বিবেচিত হত। সময়ের পথ পাড়ি দিয়ে ‘খার্চি উৎসব’ বর্তমানে রাজ্যের সব ধর্মের মানুষের অংশগ্রহনে পবিত্র তীর্থভূমিতে রূপান্তরিত হয়েছে। জাত, পাত, ধর্মের বালাই বহু আগেই বিদায় নিয়ে খার্চি উৎসব মিনি ভারতের চেহারা নিয়েছে। শনিবার, সাতদিন ব্যাপী খার্চি উৎসব ও মেলার শুভ উদ্বোধন করেন রাজ্যের মূখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব। খয়েরপুরের কৃষ্ণ মালা মঞ্চে এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সাতদিন ব্যাপী এই খার্চি মেলার উদ্বোধনের পর মূখ্যমন্ত্রী চৌদ্দ দেবতা মন্দির পরিদর্শন করেন এবং পূজো দেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রাজস্ব মন্ত্রী এন সি দেববর্মা, টি টি এ এ ডি সি-র চেয়ারম্যান ডঃ রণজিৎ দেববর্মা, বিধায়ক সুশান্ত চৌধুরী, বিধায়ক বীরেন্দ্র দেববর্মা, আগরতলা পুর নিগমের মেয়র ডঃ প্রফুল্লজিৎ সিনহা, প্রশ্চিম ত্রিপুরা জেলার জেলা শাসক ডঃ সন্দীপ এন মহাত্মে, তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের অধিকর্তা বিশ্বশ্রী বি, সদর মহকুমা শাসক তপন কুমার দাস, জিরানীয়া মহকুমা শাসক সুভাষ চন্দ্র সাহা প্রমুখ।সকল ধর্মের মানুষের অংশগ্রহনে পবিত্র তীর্থভূমিতে রূপান্তরিত চতুর্দশ দেবতার মন্দির
আপডেট প্রতিনিধি, আগরতলা, ২০ জুলাই ৷৷ ঋতু বৈচিত্রের মতো এক একটা উৎসব ভিন্ন মাত্রা নিয়ে হাজির হয়। চতুর্দশ দেবতার মন্দিরে খার্চি উৎসব কোনো এক সময় রাজ্যের উপজাতি সম্প্রদায়ের পূজো হিসাবেই বিবেচিত হত। সময়ের পথ পাড়ি দিয়ে ‘খার্চি উৎসব’ বর্তমানে রাজ্যের সব ধর্মের মানুষের অংশগ্রহনে পবিত্র তীর্থভূমিতে রূপান্তরিত হয়েছে। জাত, পাত, ধর্মের বালাই বহু আগেই বিদায় নিয়ে খার্চি উৎসব মিনি ভারতের চেহারা নিয়েছে। শনিবার, সাতদিন ব্যাপী খার্চি উৎসব ও মেলার শুভ উদ্বোধন করেন রাজ্যের মূখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব। খয়েরপুরের কৃষ্ণ মালা মঞ্চে এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সাতদিন ব্যাপী এই খার্চি মেলার উদ্বোধনের পর মূখ্যমন্ত্রী চৌদ্দ দেবতা মন্দির পরিদর্শন করেন এবং পূজো দেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রাজস্ব মন্ত্রী এন সি দেববর্মা, টি টি এ এ ডি সি-র চেয়ারম্যান ডঃ রণজিৎ দেববর্মা, বিধায়ক সুশান্ত চৌধুরী, বিধায়ক বীরেন্দ্র দেববর্মা, আগরতলা পুর নিগমের মেয়র ডঃ প্রফুল্লজিৎ সিনহা, প্রশ্চিম ত্রিপুরা জেলার জেলা শাসক ডঃ সন্দীপ এন মহাত্মে, তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের অধিকর্তা বিশ্বশ্রী বি, সদর মহকুমা শাসক তপন কুমার দাস, জিরানীয়া মহকুমা শাসক সুভাষ চন্দ্র সাহা প্রমুখ।