বাসন্তী পূজোর দশমীর রাতে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

bpবিশ্বেশ্বর মজুমদার, শান্তিরবাজার, ২৭ মার্চ ৷৷ দেশবন্ধু ক্লাবের উদ্দ্যোগে অনুষ্ঠিত বাসন্তী পূজায় দশমীর রাতে বিভিন্ন সামাজিক মূলক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠীত হয়। বছরে মা দুর্গা দুইবার মায়ের আরাধনা করা হয়। এর মধ্যে মায়ের অকাল বোধনকে সকলে জাকজমক পূর্নভাবে পালন করেন তবে দ্বিতীয় বারের মা বাসন্তীর আরাধনায় কোনো প্রকার খামতি রাখেননি দেশবন্ধু ক্লাব। সমগ্র শান্তির বাজার জুরে একটি মাত্র পূজা হচ্ছে। এবারকার পূজা একটু বর আকারে করেছে তার সঙ্গে সামাজিক দায়িত্ব পালনেও কোনো প্রকার পিছিয়ে নেই এই ক্লাবের সদস্যরা। রক্তদানের মধ্য দিয়ে এই পূজার শুভারম্ভ হয়। তেমনি করে দশমীর রাতে শান্তির বাজারের কিছু সংখ্যক গরিব শ্রেনীর লোকজনদের মধ্যে বস্ত্র বিতরন করেন ও শান্তির বাজারের বিশিষ্ট সমাজসেবীকে সম্ভর্ধনা প্রদান করা হয়। সমাজসেবী হল শান্তির বাজার আরক্ষা দপ্তরের কর্মী হাবিলদার কৃষ্ণ জমাতিয়া। কৃষ্ণ জমাতিয়া প্রকৃত অর্থে সমাজসেবী কারন তিনি নিজ খরচায় প্রত্যেকমাসে লোকজনদেরকে নিয়ে উদয়পুরে মাতার বাড়ী পরিষ্কার করেন ও নিজ উদ্দ্যোগে বাজার পরিষ্কার করেন। কৃষ্ণ বাবু বছরে দুইবার শান্তির বাজারে অবস্থিত মানসিক ভারসাম্যহীন লোকজনদে অন্ন ও বস্ত্র তুলেদেন। শান্তির বাজার থানায় কাজের জন্য যে সকল লোকজনযায় তাদের কে কৃষ্ণবাবু জলপান করতে দেন ও তাদেরকে বলেন জলপান করেই যেতে হবে। কৃষ্ণ জমাতিয়ার এই ধরনের সামাজিক কাজে আপ্লুত হয়ে দশমীর রাত্রে দেশবন্ধু ক্লাবের পক্ষ থেকে উনার হাতে সম্ভর্ধনা তুলে দেওয়া হয়।
FacebookTwitterGoogle+Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*