আপডেট প্রতিনিধি, আগরতলা, ২০ জুলাই ৷৷ শুক্রবার থেকে রাজ্যের ঐতিহ্যবাহী খার্চি পূজা উৎসব ও মেলা শুরু শুরু হয়েছে। উৎসবের শুভ উদ্বোধন করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব। মুখ্যমন্ত্রী উৎসবের স্মরণিকা ‘হাবেলী-২০১৮’-এর মোড়ক উন্মোচন করেন। এই উৎসব চলবে আগামী ২৬ জুলাই পর্যন্ত। এবছর মেলার থিম প্লাস্টিকমুক্ত পরিবেশ। মেলায় রয়েছে ৮১৪টি ব্যবসায়িক ও ৩০টি সরকারি স্টল। মেলার নিরাপত্তায় পুলিশ তৎপর রয়েছে। এজন্য পুরাতন আগরতলা স্কুল এবং পল্লিমঙ্গল স্কুলে অস্থায়ী ক্যাম্প করা হয়েছে। জরুরি চিকিৎসার জন্য রয়েছে মেডিকেল টিম। বহু স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন মেলায় আসা দর্শনার্থীদের সুবিধার জন্য পানিসহ অন্য পরিষেবা প্রদান করছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রাজস্ব মন্ত্রী এন সি দেববর্মা, টি টি এ এ ডি সি-র চেয়ারম্যান ডঃ রণজিৎ দেববর্মা, বিধায়ক সুশান্ত চৌধুরী, বিধায়ক বীরেন্দ্র দেববর্মা, আগরতলা পুর নিগমের মেয়র ডঃ প্রফুল্লজিৎ সিনহা, প্রশ্চিম ত্রিপুরা জেলার জেলা শাসক ডঃ সন্দীপ এন মহাত্মে, তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের অধিকর্তা বিশ্বশ্রী বি, সদর মহকুমা শাসক তপন কুমার দাস, জিরানীয়া মহকুমা শাসক সুভাষ চন্দ্র সাহা প্রমুখ। প্রথম দিন থেকেই মেলা প্রাঙ্গণে পূণ্যার্থী ও দর্শকদের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ করা গেছে।খার্চি উৎসবের সূচনা করে ‘হাবেলী-২০১৮’ স্মরণিকা উন্মোচন করলেন মুখ্যমন্ত্রী
আপডেট প্রতিনিধি, আগরতলা, ২০ জুলাই ৷৷ শুক্রবার থেকে রাজ্যের ঐতিহ্যবাহী খার্চি পূজা উৎসব ও মেলা শুরু শুরু হয়েছে। উৎসবের শুভ উদ্বোধন করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব। মুখ্যমন্ত্রী উৎসবের স্মরণিকা ‘হাবেলী-২০১৮’-এর মোড়ক উন্মোচন করেন। এই উৎসব চলবে আগামী ২৬ জুলাই পর্যন্ত। এবছর মেলার থিম প্লাস্টিকমুক্ত পরিবেশ। মেলায় রয়েছে ৮১৪টি ব্যবসায়িক ও ৩০টি সরকারি স্টল। মেলার নিরাপত্তায় পুলিশ তৎপর রয়েছে। এজন্য পুরাতন আগরতলা স্কুল এবং পল্লিমঙ্গল স্কুলে অস্থায়ী ক্যাম্প করা হয়েছে। জরুরি চিকিৎসার জন্য রয়েছে মেডিকেল টিম। বহু স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন মেলায় আসা দর্শনার্থীদের সুবিধার জন্য পানিসহ অন্য পরিষেবা প্রদান করছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রাজস্ব মন্ত্রী এন সি দেববর্মা, টি টি এ এ ডি সি-র চেয়ারম্যান ডঃ রণজিৎ দেববর্মা, বিধায়ক সুশান্ত চৌধুরী, বিধায়ক বীরেন্দ্র দেববর্মা, আগরতলা পুর নিগমের মেয়র ডঃ প্রফুল্লজিৎ সিনহা, প্রশ্চিম ত্রিপুরা জেলার জেলা শাসক ডঃ সন্দীপ এন মহাত্মে, তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের অধিকর্তা বিশ্বশ্রী বি, সদর মহকুমা শাসক তপন কুমার দাস, জিরানীয়া মহকুমা শাসক সুভাষ চন্দ্র সাহা প্রমুখ। প্রথম দিন থেকেই মেলা প্রাঙ্গণে পূণ্যার্থী ও দর্শকদের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ করা গেছে।