আপডেট প্রতিনিধি, আগরতলা, ২৩ জুলাই ৷৷ ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে আরও সীমান্তহাট স্থাপন আগরতলার রাজ্য অতিথিশালায় এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। রবিবার ও সোমবার এ বিষয়ে প্রথম যৌথ বৈঠক অনুষ্ঠিত হল আগরতলায়। বৈঠক শেষে সোমবার বাংলাদেশের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, ২০১০ সালে ভারত ও বাংলাদেশ উভয় দেশের প্রতিনিধিদল সীমান্তহাট সংক্রান্ত বিষয়ে এম ও ইউ এবং পরিচালন নীতি স্থির করে। এ বিষয়গুলো দেখা-শুনার জন্য উভয় দেশের প্রতিনিধিদের নিয়ে যৌথ সীমান্তহাট কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি সীমান্তহাট পরিচালনার নীতি নির্ধারণ করে থাকেন। তিনি বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে চারটি সীমান্তহাটে বাণিজ্য চলছে। তিনি বলেন, উভয় দেশের প্রতিনিধি দলটি রবিবার রাজ্যের কসবা সীমান্তের হাট ঘুরে দেখেছেন এবং হাটে আসা ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে তাদের সমস্যার বিষয়ে অবগত হয়েছেন। তিনি বলেন, আগামী বছরে উভয় দেশের মধ্যে আরো ছয়টি সীমান্তহাট স্থাপন করা হবে। এরমধ্যে ত্রিপুরার সীমান্ত এলাকায় দুটি, বাংলাদেশের মৌলভীবাজারে একটি এবং মেঘালয়ের গারো হিলস ও খাসিয়া হিলসে আরো তিনটি বানিজ্য হাট স্থাপন করা হবে। এই ইস্যুতে দু’দেশের বানিজ্য মন্ত্রকের শীর্ষ প্রতিনিধিরা ঐক্যমত্যে আসতে পেরেছেন। যৌথ বৈঠকে ভারতীয় প্রতিনিধি দলের পক্ষে নেতৃত্ব দেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দক্ষিণ এশিয়া বিভাগের যুগ্ম সচিব ভূপিন্দর এস ভাল্লা। তার সঙ্গে ছিলেন ১১ সদস্যের প্রতিনিধি দল। বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলে ছিলেন আট সদস্য।বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে আরও ৬টি সীমান্তহাট স্থাপনের উদ্যোগ
আপডেট প্রতিনিধি, আগরতলা, ২৩ জুলাই ৷৷ ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে আরও সীমান্তহাট স্থাপন আগরতলার রাজ্য অতিথিশালায় এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। রবিবার ও সোমবার এ বিষয়ে প্রথম যৌথ বৈঠক অনুষ্ঠিত হল আগরতলায়। বৈঠক শেষে সোমবার বাংলাদেশের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, ২০১০ সালে ভারত ও বাংলাদেশ উভয় দেশের প্রতিনিধিদল সীমান্তহাট সংক্রান্ত বিষয়ে এম ও ইউ এবং পরিচালন নীতি স্থির করে। এ বিষয়গুলো দেখা-শুনার জন্য উভয় দেশের প্রতিনিধিদের নিয়ে যৌথ সীমান্তহাট কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি সীমান্তহাট পরিচালনার নীতি নির্ধারণ করে থাকেন। তিনি বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে চারটি সীমান্তহাটে বাণিজ্য চলছে। তিনি বলেন, উভয় দেশের প্রতিনিধি দলটি রবিবার রাজ্যের কসবা সীমান্তের হাট ঘুরে দেখেছেন এবং হাটে আসা ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে তাদের সমস্যার বিষয়ে অবগত হয়েছেন। তিনি বলেন, আগামী বছরে উভয় দেশের মধ্যে আরো ছয়টি সীমান্তহাট স্থাপন করা হবে। এরমধ্যে ত্রিপুরার সীমান্ত এলাকায় দুটি, বাংলাদেশের মৌলভীবাজারে একটি এবং মেঘালয়ের গারো হিলস ও খাসিয়া হিলসে আরো তিনটি বানিজ্য হাট স্থাপন করা হবে। এই ইস্যুতে দু’দেশের বানিজ্য মন্ত্রকের শীর্ষ প্রতিনিধিরা ঐক্যমত্যে আসতে পেরেছেন। যৌথ বৈঠকে ভারতীয় প্রতিনিধি দলের পক্ষে নেতৃত্ব দেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দক্ষিণ এশিয়া বিভাগের যুগ্ম সচিব ভূপিন্দর এস ভাল্লা। তার সঙ্গে ছিলেন ১১ সদস্যের প্রতিনিধি দল। বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলে ছিলেন আট সদস্য।