বিশ্বেশ্বর মজুমদার, শান্তিরবাজার, ০৩ অক্টোবর || অন্যান্য বছরের ন্যায় এই বছরও শান্তিরবাজার মহকুমার অন্তর্গত ছয়ঘড়ীয়া সার্বজনীন দূর্গাপূজা কমিটির উদ্দ্যোগে শারদীয় দূর্গোৎসবকে কেন্দ্র করে দূর্গাপূজার আয়োজন করা হয়। বাঙ্গালির শ্রেষ্ট উৎসব হলো দূর্গোৎসব। ছয়ঘড়ীয়া পূজা কমিটি আয়োজিত দূর্গোৎসব গতবছর ২৫ বছরে পদার্পন করাতে পূজা কমিটির উদ্দ্যোগে বিশেষ আকর্ষন হিসাবে কুমারী পূজার আয়োজন করা হয়। এইবছরও পূজা কমিটির উদ্দ্যোগে কুমারী পূজার আয়োজন করা হয়। এই বছর কুমারী পূজা দ্বিতীয় বছরে পদার্পন করেছে। এইবছর কুমারী পূজার জন্য পশ্চীম কলাবাড়ীয়ার হিমাদ্রী চক্রবর্তীর ৬ বছরের কন্যাসন্তান পৌশালি চক্রবর্তীকে বাছাই করা হয়েছে। এই পূজার মূল উদ্দ্যোশ্য হিসাবে পূজা কমিটির উদ্দ্যোগতা জানান, তিনি আগরতলা রামকৃষ্ণ মিশনে শিক্ষকতার কাজে নিযুক্ত। সেই জায়গায় প্রতিবছর কুমারী পূজা দেখে এই গ্রামীন এলাকায় কুমারী পূজা করার উদ্দ্যোগ নেওয়া হয়। তিনি জানান কুমারী পূজায় ৩ থেকে ১১ বছরের কন্যাসন্তান দের বাছাই করা হয়। যে কোনো সম্প্রদায়ের কন্যাসন্তানদেরকে দিয়ে কুমারী পূজা করানো যায়। স্বামীবিবেকানন্দ প্রথম কুমারী পূজা মুসলিম সম্প্রদায়ের কন্যা সন্তানকে দিয়ে করেছেন কিন্ত বর্তমান সমাজের ভয়ে ব্রাক্ষন সম্প্রদায়ের কন্যা সন্তানকে বাছাই করাহয় কুমারী পূজার জন্য। কুমারী পূজার মূল লক্ষ্য মৃন্ময়ী মাকে চিন্ময়ী করা। সকলের ঘরে মা বোন রয়েছে। তাই সকলকে ঘরের দূর্গাকে সন্মান করে পূজা করা প্রয়োজন। অজথা মাটির মূর্ক্তির পূজার পিছনে নাঘুরে ঘরের মাকে বন্ধনা করার লক্ষ্যে কুমারী পূজা করা হয়ে থাকে। ছয়ঘড়ীয়া সার্বাজনীন দূর্গাপূজা কমিটির উদ্দ্যোগে আয়োজিত আজকের কুমারী পূজাতে ব্যাপক হারে লোকসমাগম ঘটে।
