আপডেট প্রতিনিধি, আগরতলা, ২৬ অক্টোবর ৷৷ ১৩শে জুলাই, ২০১৬ (রবিবার) বাংলাদেশের রেলমন্ত্রী মহম্মদ মুজিবুল হক এর উপস্থিতিতে আগরতলা-আখাউড়া রেল যোগাযোগের শিলান্যাস হয়েছিল। দীর্ঘ ১৫ মাস পর বৃহস্পতিবার (২৬ অক্টোবর, ২০১৭) থেকে শুরু হল আগরতলা-আখাউরা রেল যোগাযোগের কাজ। এদিন আগরতলা রেল স্টেশনের সামনে বাধারঘাট এলাকায় ড্রজার দিয়ে মাটি কাটার কাজ শুরু হয়েছে। আগরতলা-আখাউরা ভারত ও বাংলাদেশ মিলিয়ে এই রেলপথের মোট দূরত্ব ১৫ কিমি। যার মধ্যে ৫ কিমি ত্রিপুরা রাজ্যে পড়েছে এবং বাকি ১০ কিমি পড়েছে বাংলাদেশে। ভারতীয় রেলওয়ে নির্মাণ সংস্থা এই রেল প্রকল্পের ভারতের অংশের কাজের দায়িত্ব পেয়েছে। বাংলাদেশের ১০ কিমি রেলপথের কাজ করবে বাংলাদেশ রেলওয়ে। এই কাজের পরামর্শদাতা হিসেবে কাজ করনে ভারতীয় রেলের নির্মাণ সংস্থা ইরকন। আগরতলা রেল স্টেশন থেকে বের হয়ে জাতীয় সড়কের উপর দিয়ে নিশ্চিন্তপুর সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করবে রেল লাইনটি। ভারতীয় অংশের রেলপথের এলাকাটি ঘনবসতিপূর্ণ হওয়ায় আগরতলা রেল স্টেশন থেকে সাড়ে তিন কিমি রেলপথ উড়াল পুলের উপর দিয়ে যাবে। বাকি দেড় কিমি রাস্তা হবে মাটিতে।আগরতলা-আখাউরা রেলপথ স্থাপনের কাজ শুরু
আপডেট প্রতিনিধি, আগরতলা, ২৬ অক্টোবর ৷৷ ১৩শে জুলাই, ২০১৬ (রবিবার) বাংলাদেশের রেলমন্ত্রী মহম্মদ মুজিবুল হক এর উপস্থিতিতে আগরতলা-আখাউড়া রেল যোগাযোগের শিলান্যাস হয়েছিল। দীর্ঘ ১৫ মাস পর বৃহস্পতিবার (২৬ অক্টোবর, ২০১৭) থেকে শুরু হল আগরতলা-আখাউরা রেল যোগাযোগের কাজ। এদিন আগরতলা রেল স্টেশনের সামনে বাধারঘাট এলাকায় ড্রজার দিয়ে মাটি কাটার কাজ শুরু হয়েছে। আগরতলা-আখাউরা ভারত ও বাংলাদেশ মিলিয়ে এই রেলপথের মোট দূরত্ব ১৫ কিমি। যার মধ্যে ৫ কিমি ত্রিপুরা রাজ্যে পড়েছে এবং বাকি ১০ কিমি পড়েছে বাংলাদেশে। ভারতীয় রেলওয়ে নির্মাণ সংস্থা এই রেল প্রকল্পের ভারতের অংশের কাজের দায়িত্ব পেয়েছে। বাংলাদেশের ১০ কিমি রেলপথের কাজ করবে বাংলাদেশ রেলওয়ে। এই কাজের পরামর্শদাতা হিসেবে কাজ করনে ভারতীয় রেলের নির্মাণ সংস্থা ইরকন। আগরতলা রেল স্টেশন থেকে বের হয়ে জাতীয় সড়কের উপর দিয়ে নিশ্চিন্তপুর সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করবে রেল লাইনটি। ভারতীয় অংশের রেলপথের এলাকাটি ঘনবসতিপূর্ণ হওয়ায় আগরতলা রেল স্টেশন থেকে সাড়ে তিন কিমি রেলপথ উড়াল পুলের উপর দিয়ে যাবে। বাকি দেড় কিমি রাস্তা হবে মাটিতে।