বিশ্বেশ্বর মজুমদার, শান্তিরবাজার, ২০ মার্চ ৷৷ শুরু হতে চলছে শান্তির বাজার রেল পরিসেবা। মঙ্গলবার ১১ টা ৫৫ মিনিটে গর্জী রেল স্টেশন ও শান্তির বাজার রেল স্টেশনের মধ্যবর্তী স্থান বিরচন্দ্র সংলগ্ন এলাকায় ৫৩টি বগি নিয়ে WDG4 ৭০১১৫ নম্বরের ট্রেনটি পাথর বোঝাই করে এসেছে। রেল চালকের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত ১৯ তারিখ রেলটি বদরপুর এলাকা থেকে রওনা হয়। সোমবার রাতে জিরানিয়া স্টেশনে ছিল। মঙ্গলবার সকাল ৬টায় রেলটি শান্তির বাজারের উদ্দ্যেশ্যে রওনা হয়। এর মধ্যে ১১টা ৫৫ মিনিটে বিরচন্দ্র এলাকায় এসে পৌঁছায়। সেখানে পাথর আনলোডিং এর কাজ চলছে। রেল চালকদের কাছ থেকে জানাযায়, গর্জি রেল স্টেশন থেকে শান্তির বাজার রেল স্টেশনের দুরত্ব ১২ কিলোমিটার। যার মধ্যে অর্ধেক এর ও বেশি পথ অতিক্রান্ত করে তারা চলে এসেছে। তাদের দাবি বিরচন্দ্র এলাকা থেকে শান্তির বাজার রেল স্টেশনের দুরত্ব প্রায় ৫ কিলোমিটার। আগামী কিছুদিনের মধ্যেও সেখানে রেল পৌঁছে যাবে বলে জানা যায়। তাদের কাছ থেকে এও জানা যায়, আগামী ৩০ তারিখের মধ্যে শান্তির বাজার পর্যন্ত যাত্রীবাহী ট্রেন পরিক্ষামূলক ভাবে চলাচল শুরু হবে। অপরদিকে এই মাল বোঝাই ট্রেনকে ঘিরে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যায় বিরচন্দ্র বসবাসকারী লোকজনদের মধ্যে। রেল দেখার জন্য আনন্দের সহিত অনেক লোকজন তাদের পরিবারের লোকজনদের নিয়ে ছুটে আসেন। অনেকে বলছেন ত্রিপুরা রাজ্যে নতুন বিজেপি সরকার গঠনের পর খুব দ্রুততার সহিত শান্তির বাজারের বসবাসকারী লোকজনদের যাতায়তের স্বার্থে রেল উপহার হিসাবে দিচ্ছেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শান্তির বাজার এসে ঘুরে গেছেন তাই শান্তির বাজারের সামগ্রীক উন্নয়নের স্বার্থে ও উনার দেওয়া পতিশ্রুতি সফল করবেন বলে অধিকাংশ লোকজন আশাব্যাক্ত করেন। রেলের এই আগমনকে ঘিরে লোকজনের বেপক উৎসাহ দেখা যায়। এখন সকলে নতুন এক দিনের প্রহর গুনছে কবে নাগাদ রেলে চেপে আগরতলা ও ভারতের দুরদুরান্ত শহরে যাবে।রেলের ঝিক ঝিক শব্দ শুনতে চলছে শান্তিরবাজারবাসী, পৌঁছুল পাথর বোঝাই রেল
বিশ্বেশ্বর মজুমদার, শান্তিরবাজার, ২০ মার্চ ৷৷ শুরু হতে চলছে শান্তির বাজার রেল পরিসেবা। মঙ্গলবার ১১ টা ৫৫ মিনিটে গর্জী রেল স্টেশন ও শান্তির বাজার রেল স্টেশনের মধ্যবর্তী স্থান বিরচন্দ্র সংলগ্ন এলাকায় ৫৩টি বগি নিয়ে WDG4 ৭০১১৫ নম্বরের ট্রেনটি পাথর বোঝাই করে এসেছে। রেল চালকের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত ১৯ তারিখ রেলটি বদরপুর এলাকা থেকে রওনা হয়। সোমবার রাতে জিরানিয়া স্টেশনে ছিল। মঙ্গলবার সকাল ৬টায় রেলটি শান্তির বাজারের উদ্দ্যেশ্যে রওনা হয়। এর মধ্যে ১১টা ৫৫ মিনিটে বিরচন্দ্র এলাকায় এসে পৌঁছায়। সেখানে পাথর আনলোডিং এর কাজ চলছে। রেল চালকদের কাছ থেকে জানাযায়, গর্জি রেল স্টেশন থেকে শান্তির বাজার রেল স্টেশনের দুরত্ব ১২ কিলোমিটার। যার মধ্যে অর্ধেক এর ও বেশি পথ অতিক্রান্ত করে তারা চলে এসেছে। তাদের দাবি বিরচন্দ্র এলাকা থেকে শান্তির বাজার রেল স্টেশনের দুরত্ব প্রায় ৫ কিলোমিটার। আগামী কিছুদিনের মধ্যেও সেখানে রেল পৌঁছে যাবে বলে জানা যায়। তাদের কাছ থেকে এও জানা যায়, আগামী ৩০ তারিখের মধ্যে শান্তির বাজার পর্যন্ত যাত্রীবাহী ট্রেন পরিক্ষামূলক ভাবে চলাচল শুরু হবে। অপরদিকে এই মাল বোঝাই ট্রেনকে ঘিরে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যায় বিরচন্দ্র বসবাসকারী লোকজনদের মধ্যে। রেল দেখার জন্য আনন্দের সহিত অনেক লোকজন তাদের পরিবারের লোকজনদের নিয়ে ছুটে আসেন। অনেকে বলছেন ত্রিপুরা রাজ্যে নতুন বিজেপি সরকার গঠনের পর খুব দ্রুততার সহিত শান্তির বাজারের বসবাসকারী লোকজনদের যাতায়তের স্বার্থে রেল উপহার হিসাবে দিচ্ছেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শান্তির বাজার এসে ঘুরে গেছেন তাই শান্তির বাজারের সামগ্রীক উন্নয়নের স্বার্থে ও উনার দেওয়া পতিশ্রুতি সফল করবেন বলে অধিকাংশ লোকজন আশাব্যাক্ত করেন। রেলের এই আগমনকে ঘিরে লোকজনের বেপক উৎসাহ দেখা যায়। এখন সকলে নতুন এক দিনের প্রহর গুনছে কবে নাগাদ রেলে চেপে আগরতলা ও ভারতের দুরদুরান্ত শহরে যাবে।