আপডেট প্রতিনিধি, আগরতলা, ১৫ মে ৷৷ সোনামুড়া মহকুমায় ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের কাঁটা তারের বেড়া নির্মাণ নিয়ে সমস্যা রয়েছে। এলাকার কিছু মানুষ সীমান্তে বেড়া নির্মাণে বাধা দিচ্ছেন বলে অভিযোগ জানান অনেকে। এই কাজ যাতে দ্রুত শেষ করার বিষয়ে একটি প্রশাসনিক বৈঠক করেন মূখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব। মঙ্গলবার বিকেলে মূখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেবের সভাপতিত্বে সোনামুড়া রেভিনিউ ডাক বাংলোতে এক উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশের সাথে সোনামুড়া মহকুমার অবশিষ্ট ৯.১ কিমি কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে এই সভায় বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়। সভায় রাজ্য সরকারের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বি এস এফ-র কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। মূখ্যমন্ত্রী কর্মকর্তাদের দ্রুত এই কাজ শেষ করার নির্দেশ দেন। স্থানীয় এলাকায় এছাড়াও যেসব সমস্যা রয়েছে সেগুলোও দ্রুত সমাধান করার নির্দেশ দেন মূখ্যমন্ত্রী। এসময় মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন মুখ্যসচিব সঞ্জিব রঞ্জন, সিপাহীজলা জেলার জেলা শাসক প্রদীপ কুমার চক্রবর্তী, বিধায়ক সুভাষ চন্দ্র দাস, মুখ্যমন্ত্রী দফতরের উপ-সচিব মিলিন্দ রামটেক, বিজেপি’র ত্রিপুরা প্রদেশ কমিটির সম্পাদিকা প্রতিমা ভৌমিক প্রমুখ। মুখ্যমন্ত্রী সংবাদ মাধ্যমকে জানান, এই জেলায় সীমান্তে কাঁটা তারের বেড়া দেওয়ার কাজ বাকি রয়েছে। এ কাজ দ্রুত শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই এলাকার মানুষ যথার্থ ক্ষতিপূরণের যে দাবি করছেন, তা গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে।সীমান্তে কাঁটা তারের বেড়া নির্মাণের কাজ দ্রুত শেষ করার জন্য মূখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ
আপডেট প্রতিনিধি, আগরতলা, ১৫ মে ৷৷ সোনামুড়া মহকুমায় ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের কাঁটা তারের বেড়া নির্মাণ নিয়ে সমস্যা রয়েছে। এলাকার কিছু মানুষ সীমান্তে বেড়া নির্মাণে বাধা দিচ্ছেন বলে অভিযোগ জানান অনেকে। এই কাজ যাতে দ্রুত শেষ করার বিষয়ে একটি প্রশাসনিক বৈঠক করেন মূখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব। মঙ্গলবার বিকেলে মূখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেবের সভাপতিত্বে সোনামুড়া রেভিনিউ ডাক বাংলোতে এক উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশের সাথে সোনামুড়া মহকুমার অবশিষ্ট ৯.১ কিমি কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে এই সভায় বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়। সভায় রাজ্য সরকারের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বি এস এফ-র কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। মূখ্যমন্ত্রী কর্মকর্তাদের দ্রুত এই কাজ শেষ করার নির্দেশ দেন। স্থানীয় এলাকায় এছাড়াও যেসব সমস্যা রয়েছে সেগুলোও দ্রুত সমাধান করার নির্দেশ দেন মূখ্যমন্ত্রী। এসময় মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন মুখ্যসচিব সঞ্জিব রঞ্জন, সিপাহীজলা জেলার জেলা শাসক প্রদীপ কুমার চক্রবর্তী, বিধায়ক সুভাষ চন্দ্র দাস, মুখ্যমন্ত্রী দফতরের উপ-সচিব মিলিন্দ রামটেক, বিজেপি’র ত্রিপুরা প্রদেশ কমিটির সম্পাদিকা প্রতিমা ভৌমিক প্রমুখ। মুখ্যমন্ত্রী সংবাদ মাধ্যমকে জানান, এই জেলায় সীমান্তে কাঁটা তারের বেড়া দেওয়ার কাজ বাকি রয়েছে। এ কাজ দ্রুত শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই এলাকার মানুষ যথার্থ ক্ষতিপূরণের যে দাবি করছেন, তা গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে।