আপডেট প্রতিনিধি, আগরতলা, ১০ মে || কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬১’তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে সোমবার সন্ধ্যায় রবীন্দ্র শতবার্ষিকী ভবনে মূল অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়। এদিন রাজ্যের তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর এবং শিক্ষা দপ্তরের উদ্যোগে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রখ্যাত রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী জয়তী চক্রবর্তী, মনোময় ভট্টাচার্য এবং বাচিক শিল্পী দেবেশ ঠাকুরের পরিবেশনা সকলকে মুগ্ধ করে।
এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব, শিক্ষামন্ত্রী রতন লাল নাথ, রাজ্যের তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী, তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের সচিব প্রশান্ত কুমার গোয়েল, দপ্তরের অধিকর্তা রতন বিশ্বাস প্রমুখ।
এদিন যথাযথ মর্যাদায় কবিগুরুর প্রতিকৃতিতে পুস্পার্ঘ অর্পণ করে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন উপস্থিত সকলেই। এদিন রবীন্দমজয়ন্তী উপলক্ষে মনোজ্ঞ নানান সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সকলকেই মুগ্ধ করে।
এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সমুদ্রসম জ্ঞানাধীকারী বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কলা সাংস্কৃতি সৃষ্টি তরঙ্গে উদ্ভাসিত ভারতীয়ত্বের ঐতিহ্য। আগ্রাসী অপসংস্কৃতি ও পরাধীনতার গ্লানি মুক্ত হয়ে, শুভ চেতনায় ভারতীয় সংস্কৃতি ও পরম্পরার উদয়ে কবিগুরুর প্রতিটি অনবদ্য সৃষ্টি, অনুপ্রেরনাসুলভ ও ভারতীয়ত্ব জাগ্রতকরণে অগ্রণী। বিদেশী অপসংস্কৃতি চাপিয়ে দেওয়ার প্রবণতা বারংবার নস্যাৎ হয়েছে, ভারতীয় ও সনাতন সংস্কৃতির আলোকে।
