গোপাল সিং, খোয়াই, ০৪ আগস্ট || খোয়াই শহর এবং শহরতলীতে মেয়াদোত্তীর্ণ সামগ্রী দেদার মজুত এবং বিক্রি হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের নেই কোনো হেলদোল। অথচ খোয়াই শহরকে পেছনে রেখে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষিত রাখতে খোয়াই স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফে খোয়াই বৈদ্যনাথ চৌমুহনী বাজারে এক রুটিন অভিযান চালানো হয় সোমবার। এই পরিদর্শনের সময় একাধিক দোকানে স্বাস্থ্যের পক্ষে মারাত্মক এবং নিষিদ্ধ খেসারি ডালের সন্ধান মেলে। সঙ্গে সঙ্গে প্রায় ৫০ কেজি খেসারি ডাল বাজেয়াপ্ত করে, নথিভুক্তির পর ঘটনাস্থলেই নষ্ট করে দেওয়া হয়।
দপ্তরের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, খেসারি ডাল খাওয়া আইনত নিষিদ্ধ। এর অতিরিক্ত সেবন ‘ল্যাথারিজম’ নামক এক ভয়ঙ্কর স্নায়ুরোগের কারণ হতে পারে, যা মানুষের শরীরকে পঙ্গু পর্যন্ত করে দিতে পারে। এই বিষয়ে বাজারের খাদ্য ব্যবসায়ীদের (FBOs) বিস্তারিতভাবে সচেতন করা হয় এবং ভবিষ্যতে এই ধরনের নিষিদ্ধ সামগ্রী বিক্রি না করার জন্য কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়।
এই অভিযান চলাকালীন বাজারের অন্যান্য দোকান থেকেও নজরদারির জন্য মোট ছয়টি বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্যের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। নমুনাগুলি পরীক্ষার জন্য ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হবে এবং রিপোর্ট অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে জানানো হয়েছে। কিন্তু জনস্বাস্থ্যের স্বার্থে এই ধরনের অভিযান কেন খোয়াই শহরে সংগঠিত হলোনা? প্রশ্ন খোয়াইবাসীর।
