বিশ্বেশ্বর মজুমদার, শান্তিরবাজার, ০২ ডিসেম্বর || মঙ্গলবার দক্ষিণ জেলার বাইখোরা পাবলিক লাইব্রেরি পরিদর্শন করলেন বিধানসভা লাইব্রেরি কমিটির চার বিধায়কের প্রতিনিধি দল। পরিদর্শন দলে ছিলেন বিধায়ক জিতেন্দ্র মজুমদার, বিধায়ক নয়ন সরকার, বিধায়িকা সপ্না দেববর্মা, বিধায়িকা স্বপ্না দাস পাল। তাঁদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন মহকুমা শাসক সঞ্জীব চাকমা, লাইব্রেরি ডিরেক্টর হাবুল লোধ, যুগ্ম অধিকর্তা অরুন দেববর্মা সহ অন্যান্য দপ্তরের আধিকারিকরা।
এদিন কেবল বাইখোরা নয়, জেলার শান্তিরবাজার এবং সাবরুম লাইব্রেরিও পরিদর্শন করেন প্রতিনিধি দল। বহু পুরনো বাইখোরা বাজারের এই পাবলিক লাইব্রেরী দীর্ঘদিন ধরেই দুরবস্থার মধ্যে দিয়ে চললেও সম্প্রদায়ভিত্তিক উদ্যোগে তা আজও সক্রিয়ভাবে জনগণকে সেবা দিয়ে যাচ্ছে। প্রায় ২০ বছর আগে দুলাল চন্দ্র ধরের বাড়িতে লাইব্রেরির অস্থায়ী ব্যবস্থা করা হয়, যা এখনও চলমান।
পরিদর্শনকারী বিধায়করা লাইব্রেরির বইয়ের সুষ্ঠু সংরক্ষণ এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশ দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন। জানা যায়, প্রতিদিন বহু পাঠক, সাহিত্যিক, কবি এবং বইপ্রেমী এই লাইব্রেরিতে আসেন। শান্ত ও নিরিবিলি পরিবেশ পাঠকদের আকৃষ্ট করে।
বিধায়ক জিতেন্দ্র মজুমদার বলেন, “ত্রিপুরার সমস্ত লাইব্রেরির অবস্থা, সুবিধা-অসুবিধা এবং বইয়ের সংখ্যা সম্পর্কে ধারণা নিতে আমরা মাঠে নেমেছি। গ্রাহকদের কী ধরনের বইয়ের চাহিদা রয়েছে, তাও খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। যুবসমাজকে বইয়ের প্রতি আকৃষ্ট করতে লাইব্রেরিগুলিকে আরও আধুনিক ও সময়োপযোগী করে গড়ে তোলা জরুরি।”
তিনি আরও বলেন, “বইয়ের সরবরাহে যেন কোন ঘাটতি না থাকে, তা দপ্তরকে নিশ্চিত করতে হবে। যুব সমাজকে মোবাইল ও নেশা থেকে দূরে রাখতে বইয়ের প্রতি আগ্রহ বাড়ানোই আমাদের লক্ষ্য।”
বাইখোরা এলাকার বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি এদিনের পরিদর্শন কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন।
