গোপাল সিং, খোয়াই, ৩০ সেপ্টেম্বর || শহরের বুক চিরে যাওয়া টি.কে. ডি.কে. রোডে অবৈধ মদের রমরমা ঠেক ও কারবার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই ক্ষোভে ফুঁসছিলেন এলাকার সাধারণ মানুষ। স্থানীয়দের অভিযোগ, সুভাষপার্ক পুলিশ ফাঁড়ি থেকে অনতি দূরত্বে দীর্ঘদিন ধরে এই বেআইনি মদ বিক্রি চললেও ফাঁড়ির পুলিশ আধিকারিকেরা রহস্যজনক কারণে কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছিলেন না। অবশেষে অতিষ্ঠ হয়ে সাধারণ মানুষের হস্তক্ষেপে এবং খোয়াই মহিলা থানা পুলিশের ঝটিকা অভিযানে জালে উঠলো শহরের এক প্রধান মদ কারবারী।
খবর পেয়ে খোয়াই মহিলা থানা পুলিশের এক বিশেষ দল টি.কে. ডি.কে. রোড সংলগ্ন এলাকায় এক ঝটিকা অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানকালে রঞ্জন মোদী নামক এক ব্যক্তিকে বেআইনি দেশি ও বিলাতি মদ সহ হাতেনাতে ধরে ফেলা হয়।
পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদের মুখে ধৃত রঞ্জন মোদী মদ কেনাবেচা বা তা নিজের হেফাজতে রাখার স্বপক্ষে কোনো বৈধ নথিপত্র দেখাতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়। এমনকি এই বেআইনি কারবার নিয়ে কোনো সন্তোষজনক ব্যাখ্যাও দিতে পারেনি সে।
এরপরই পুলিশ তাকে ত্রিপুরার আবগারি আইনের ৬৯ ধারায় গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যায়। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত রঞ্জন মোদীর বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট ধারায় প্রসিকিউশন রিপোর্ট জমা দেওয়া হচ্ছে।
শহরের ব্যস্ততম রাস্তার ওপর এভাবে দীর্ঘদিন ধরে পুলিশের নজর এড়িয়ে অবৈধ মদের আসর ও কারবার চলায় স্থানীয় সুভাষপার্ক পুলিশ ফাঁড়ির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন ক্ষুব্ধ নাগরিকেরা। তাঁদের বক্তব্য, সাধারণ মানুষ ও মহিলা থানা সক্রিয় না হলে এই অসামাজিক কাজ বহাল তবিয়তেই চলত।
