যাত্রী বিশ্রামাগার নুংরা-পুঁতিময় অবস্থায়, খোয়াই পুর পরিষদ ভূমিকাহীন

dsbগোপাল সিং, খোয়াই, ০৮ অক্টোবর ।। শারদোৎসবকে সামনে রেখে খোয়াই শহর থেকে গ্রাম সর্বত্রই রাস্তা-ঘাট ঝাঁ-চকচকে করে তোলা হয়েছে। রাস্তার উপর বড় বড় গর্তগুলোতে প্রলেপ লেগেছে। তার পরও সরু রাস্তার পাশে হাঁটা-চলার ক্ষেত্রে দৈনন্দিন সমস্যা হচ্ছে পথচারীদের, কারন মূল সড়ক এবং হাঁট-বাজার এলাকায় ফুটপাত দখল (যা সহজেই মুক্ত করা যায়) একটা বিরাট সমস্যার সৃষ্টি করছে। খুদ খোয়াই শহরের উপকণ্ঠে অনেক স্থানই নুংরা-পুঁতিময় অবস্থায় রয়েছে। একই দূর্দশা খোয়াই পৌর পরিষদ এলাকার লালছড়া এলাকার এই যাত্রী বিশ্রামাগারটিরও। নিত্যদিনের যাত্রী সহ বিশেষ করে কলেজ পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রীরা ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়ে থাকেন এই যাত্রী বিশ্রামাগারের পাশেই। কিন্তু বসার বা বিশ্রামের সুযোগ গ্রহন করতে পারেন কেউই। কারন নুংরা-পুঁতিময় হয়ে আছে বিশ্রামের স্থানটি। ১৭ই জুলাই ২০১৫, জাগরন পত্রিকায় এই বিশ্রামাগারটির দূর্দশা নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হবার পরও একই অবস্থায় রয়ে গেছে বিশ্রামাগারটি। অথচ কলেজ পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য এই বিশ্রামাগারের প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য্য। কল্যানপুর, বাগান বাজার, গৌরাঙ্গটিলা, রামচন্দ্রঘাট, চেবরী, সোনাতলা, মহাদেবটিলা থেকে ছাত্র-ছাত্রীরা খোয়াই দশরথ দেব মেমোরিয়াল কলেজে উন্নত শিক্ষা গ্রহনের জন্য ছুটে আসে। কিন্তু কলেজ করে বাড়ী ফিরবার সময় লালছড়া দিয়ে মুল সড়কে এসে গাড়ীর জন্য অপেক্ষা করে। কিন্তু অপেক্ষমান ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য বিশ্রামাগারটির প্রয়োজনীয়তা থাকলেও সেটি নুংরা-পুঁতিময় হয়ে থাকায় কারোর ব্যবহারেই আসছেনা। এই বিশ্রামাগারটিকে ব্যবহারের যোগ্য করে তোলার জন্য খোয়াই পুর পরিষদ কোন উদ্যোগই নিচ্ছেনা। অপরদিকে ছাত্র-ছাত্রীদের কথা মাথায় রেখে ছাত্র সংগঠনও কোন উদ্যোগ না নেওয়ায় ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। অথচ ছাত্র সংসদ নির্বাচন এবং বিভিন্ন কর্মসূচীর জন্য কলেজ পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রীদের প্রয়োজন বোধ হয়। কিন্তু এই বিশ্রামাগারটি ৪ বছর যাবত এই দূর্বিসহ অবস্থার মধ্যে পড়ে থাকলেও পুর পরিষদ বা ছাত্র সংসদের কোন উদ্যোগ নেই। গোটা ঘটনায় ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

FacebookTwitterGoogle+Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*