আপডেট প্রতিনিধি, আগরতলা, ০৮ ফেব্রুয়ারী ৷৷ বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে এসে মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারকে তীব্র কটাক্ষ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রাজ্যের মূখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারের নির্বাচনী কেন্দ্র ধানপুর যে মহকুমার অন্তর্গত সেই সোনামুড়াতেই এক জনসভায় তাঁর স্লোগান, ‘ ত্রিপুরার মানুষের মানিক নয়, হীরে চাই। মানিক থেকে হীরা আকর্ষণীয়। মানিককে বদলান, ত্রিপুরার ভাগ্যে হীরা চমকাবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, যারাই প্রতিবাদ করে তাদের মধ্যে রাজ্য সরকার একটি ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি করে রেখেছে। কিন্তু ভয়ের কিছু নেই, যারা ভয় দেখাচ্ছে এই নির্বাচনের পর তারাই থাকবেনা। প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের অন্য রাজ্যগুলির সরকারি কর্মী এবং অন্যান্য ক্ষেত্রের কর্মীদের তুলনায় ত্রিপুরার মানুষের বেতন কম। মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করছে রাজ্য সরকার। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ত্রিপুরায় খরচ হওয়া প্রতি ১০০ টাকার মধ্যে ৮০ টাকাই দেয় কেন্দ্রীয় সরকার। কিন্তু রাজ্য সরকার কেন্দ্রীয় বরাদ্দের অর্থ ঠিকমতো খরচ করতে পারছে না। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, এবার তো ভোটিং মেশিনও বলছে – ‘চলো পাল্টাই’।নির্বাচনের প্রচারে এসে মানিক সরকারকে তীব্র কটাক্ষ করেন প্রধানমন্ত্রী
আপডেট প্রতিনিধি, আগরতলা, ০৮ ফেব্রুয়ারী ৷৷ বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে এসে মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারকে তীব্র কটাক্ষ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রাজ্যের মূখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারের নির্বাচনী কেন্দ্র ধানপুর যে মহকুমার অন্তর্গত সেই সোনামুড়াতেই এক জনসভায় তাঁর স্লোগান, ‘ ত্রিপুরার মানুষের মানিক নয়, হীরে চাই। মানিক থেকে হীরা আকর্ষণীয়। মানিককে বদলান, ত্রিপুরার ভাগ্যে হীরা চমকাবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, যারাই প্রতিবাদ করে তাদের মধ্যে রাজ্য সরকার একটি ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি করে রেখেছে। কিন্তু ভয়ের কিছু নেই, যারা ভয় দেখাচ্ছে এই নির্বাচনের পর তারাই থাকবেনা। প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের অন্য রাজ্যগুলির সরকারি কর্মী এবং অন্যান্য ক্ষেত্রের কর্মীদের তুলনায় ত্রিপুরার মানুষের বেতন কম। মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করছে রাজ্য সরকার। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ত্রিপুরায় খরচ হওয়া প্রতি ১০০ টাকার মধ্যে ৮০ টাকাই দেয় কেন্দ্রীয় সরকার। কিন্তু রাজ্য সরকার কেন্দ্রীয় বরাদ্দের অর্থ ঠিকমতো খরচ করতে পারছে না। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, এবার তো ভোটিং মেশিনও বলছে – ‘চলো পাল্টাই’।