আপডেট প্রতিনিধি, আগরতলা, ২৩ জুন ৷৷ সম্প্রতি যাত্রীবাহী রেলকে ভয়াবহ দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা করে বহু মানুষের প্রাণ বাঁচিয়েছেন রাজ্যের ভূমিপুত্র স্বপন দেববর্মা ও তার কন্যা সমাতি দেববর্মা। তাদের এই সাহসিকতাকে সম্মান জানিয়ে বৃহস্পতিবার স্বপন দেববর্মা ও তার কন্যাকে ত্রিপুরা বিধানসভায় নিয়ে আসা হয়। এদিন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সুদীপ রায় বর্মণ তার এই বীরত্বের বিষয়টি বিধানসভায় উল্লেখ করেন। এই ঘটনা শোনার পর বিধানসভার সকল সদস্য কুর্নীস জানান স্বপন দেববর্মা ও তার কন্যাকে। তার এই সাহসিকতার জন্য বিধায়ক রতন চক্রবর্তী, মুখ্য সচেতক কল্যাণী এবং বিধায়ক ডাঃ অতুল দেববর্মা – স্বপন দেববর্মার এই বীরত্বের জন্য তাকে রাষ্ট্রপতি পুরস্কারে ভূষিত করা, তার কন্যার পড়াশুনার ভার রাজ্য সরকারের পক্ষে গ্রহণ করা সহ তাকে রেল বিভাগে চাকরীর আবেদন করা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে প্রস্তাব রাখেন। ট্রেজারি ও বিরোধী উভয় বেঞ্চের সদস্যরা এতে সম্মতি ব্যক্ত করেন। এদিন স্বপন দেববর্মাকে রাষ্ট্রপতি পুরস্কার ও রেল বিভাগে চাকরীর আবেদন জানিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে অনুরোধ পাঠানোর জন্য রাজ্য বিধানসভায় সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। পাশাপাশি এদিন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব জানান, আর্থিক সাহায্য করার বিষয়ে এবং স্বপন দেববর্মাকে চাকরী প্রদানের বিষয়ে রাজ্য সরকার মন্ত্রিসভায় আলোচনা করবে। তাছাড়া তার এই বীরত্বে স্বপন দেববর্মাকে ৫০ হাজার টাকা আর্থিক সহযোগিতার ঘোষণা করা হয় রাজ্য উপজাতি কল্যাণ দপ্তরের পক্ষ থেকে।ভূমিপুত্রের বীরত্বের জন্য রাষ্ট্রপতি পুরস্কার ও রেল বিভাগে চাকরীর আবেদন জানাবে রাজ্য সরকার
আপডেট প্রতিনিধি, আগরতলা, ২৩ জুন ৷৷ সম্প্রতি যাত্রীবাহী রেলকে ভয়াবহ দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা করে বহু মানুষের প্রাণ বাঁচিয়েছেন রাজ্যের ভূমিপুত্র স্বপন দেববর্মা ও তার কন্যা সমাতি দেববর্মা। তাদের এই সাহসিকতাকে সম্মান জানিয়ে বৃহস্পতিবার স্বপন দেববর্মা ও তার কন্যাকে ত্রিপুরা বিধানসভায় নিয়ে আসা হয়। এদিন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সুদীপ রায় বর্মণ তার এই বীরত্বের বিষয়টি বিধানসভায় উল্লেখ করেন। এই ঘটনা শোনার পর বিধানসভার সকল সদস্য কুর্নীস জানান স্বপন দেববর্মা ও তার কন্যাকে। তার এই সাহসিকতার জন্য বিধায়ক রতন চক্রবর্তী, মুখ্য সচেতক কল্যাণী এবং বিধায়ক ডাঃ অতুল দেববর্মা – স্বপন দেববর্মার এই বীরত্বের জন্য তাকে রাষ্ট্রপতি পুরস্কারে ভূষিত করা, তার কন্যার পড়াশুনার ভার রাজ্য সরকারের পক্ষে গ্রহণ করা সহ তাকে রেল বিভাগে চাকরীর আবেদন করা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে প্রস্তাব রাখেন। ট্রেজারি ও বিরোধী উভয় বেঞ্চের সদস্যরা এতে সম্মতি ব্যক্ত করেন। এদিন স্বপন দেববর্মাকে রাষ্ট্রপতি পুরস্কার ও রেল বিভাগে চাকরীর আবেদন জানিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে অনুরোধ পাঠানোর জন্য রাজ্য বিধানসভায় সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। পাশাপাশি এদিন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব জানান, আর্থিক সাহায্য করার বিষয়ে এবং স্বপন দেববর্মাকে চাকরী প্রদানের বিষয়ে রাজ্য সরকার মন্ত্রিসভায় আলোচনা করবে। তাছাড়া তার এই বীরত্বে স্বপন দেববর্মাকে ৫০ হাজার টাকা আর্থিক সহযোগিতার ঘোষণা করা হয় রাজ্য উপজাতি কল্যাণ দপ্তরের পক্ষ থেকে।