বিশ্বেশ্বর মজুমদার, শান্তিরবাজার, ২২ অক্টোবর ৷৷ বাঙ্গালীর শেষ্ট উৎসব শারদীয় দূর্গোউৎসবের রেশ কাটতে না কাটতেই শুরু হয়েছে লক্ষীপূজার প্রস্তুতি। প্রচলিত কথায় আছে বাঙ্গালীর ১২ মাসে ১৩ পার্বন। এরই মধ্যে রয়েছে লক্ষীপূজা। এই পূজাকে আবার কোজাগরী লক্ষীপূজাও বলা হয়। বাঙ্গালীর প্রতিটি ঘরে ঘরে এই লক্ষীপূজা করা হয়। পূজার মূল লক্ষ্য ধনের দেবী লক্ষীকে সন্তুষ্ট করা। এই পূজায় সকল লোকজন যথেষ্ট পরিমানে সাধ্যমত খরচ করেন। বাঙ্গালির এই পূজার চাহিদাকে কেন্দ্র করে পূজার মায়ের মূর্তি থেকে শুরু করে মাটির সামগ্রী তৈরীতে বেস্ত কোমর পাড়ার লোকজনেরা। পুরুষদের পাশাপাশি মহিলারাও এই কাজে সাহায্যের হাত বারিয়ে দিয়েছেন – এমনটাই চিত্র ফুটে উঠে আমাদের ক্যামেরায়। শান্তির বাজার মহকুমার অন্তর্গত জোলাইবাড়ী কোমড় পাড়ার মৃৎ শিল্পীরা চরম ব্যস্ত পূজায় ব্যবহৃত মাটির সামগ্রী তৈরীতে।মৃত শিল্পীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, পূর্বে জোলাইবাড়ী এই কুমর পাড়ার প্রায় ৭০ পরিবারের লোকজন বসবাস করে তারা সকলেই মাটির কাজ করতো কিন্তু বর্তমানে এই মাটির জিনিষ এর চাহিদা দিন দিন কমতে শুরু হয়েছে। সকলেই মাটির জিনিষ ছেরে কাশ পিতলের জিনিষের দিক ধাবিত হচ্ছেন। তাই অনেকেই এই কাজ ছেরে দিয়ে জীবন জাপনের জন্য অন্য কাজ বাছাই করে নিয়েছেন। এখন বর্তমানে এই গ্রামে প্রায় ৩৫ পরিবারের মতো লোকজন এই মাটির কাজ করে জীবন জাপন করছেন। তাই বর্তমান রাজ্য সরকার যদি এই কাজকে টিকিয়ে রাখার জন্য মৃৎ শিল্পীদের সাহায্যের হাত বারিয়ে দেন তাহলে উনারা উপকৃত হবেন বলে জানান মৃৎ শিল্পীরা।
