গোপাল সিং, খোয়াই, ২৩ জুলাই || ‘ভুতুরে বৈদ্যুতিক বিল!’ চলতি মাসে টি.এস.ই.সি বিল দেখে এমন অভিযোগই করছেন গ্রাহকরা। কিন্তু কেন? কারণ গ্রাহকদের স্পষ্ট অভিযোগ, ‘বৈদ্যুতিক বিলে জল’ মেশানো হয়েছে।
গ্রাহকরা বলছেন, যাদের প্রতি মাসে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা করে বৈদ্যুতিক বিল আসে। এই মাসে এসেছে এক হাজার বা দেড় হাজার টাকা। কারোর ২ হাজার আবার কারোর ৪ হাজার টাকা বিল এসেছে। যা দেখে উপভোক্তাদের চোখ কপালে উঠেছে। এই নিয়ে খোয়াইয়ে বিক্ষোভে ফেটে পড়েছেন উপভোক্তারা। খোয়াই বিদ্যুৎ দপ্তরের অফিসের সামনে বৃহস্পতিবার এই অভিযোগে গ্রাহকরা সংবাদ মাধ্যমে কর্মীদের কাছে ক্ষোভ উগরে দিলেন।
লকডাউনে আয় নেই। টাকা কোথায়? এত টাকার বিল দেব কী করে? আর এই বিশাল অঙ্কের বিল হল কী করে? গ্রাহকদের প্রশ্ন, অভিযোগ এখন শুধুই একটাই।
খোয়াইয়ের সিনিয়র ম্যানেজার অবশ্য বৈদ্যুতিক বিলে জল মেশানোর অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছেন। পাল্টা যুক্তি দিয়ে তিনি বলেন, মার্চ মাস থেকে লকডাউন। যার ফলে মিটারের রিডিং নেওয়া যায়নি। মে মাস পর্যন্ত বিগত তিন মাসের অ্যাভারেজ মিটার রিডিং দেখে বিল পাঠানো হয়েছে। জুন মাস আনলক ঘোষণার পর থেকে মিটার রিডিং নেওয়া হচ্ছে। দেখা গিয়েছে, অ্যাভারেজ মিটারের থেকে বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহার হয়েছে। সেটা বাড়তি ব্যবহৃত বিদ্যুৎ এই মাসে যুক্ত করা হয়েছে। লকডাউনে সবাই ঘরে। সবার বিদ্যুৎ ব্যবহার বেড়েছে। তার ওপর গরমের সময়। মানুষের সমস্যা হলে ইনস্টলমেন্টে দিতে পারেন। সেই ব্যবস্থা রাখা হয়েছে বলে জানান তিনি।
