সাগর দেব, তেলিয়ামুড়া, ১৩ এপ্রিল || তেলিয়ামুড়ার বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলিতে বাম মার্গীয় সংস্কৃতি বরদাশ্ত করা হবে না। যে কোনো মূল্যে অফিসে কর্মসংস্কৃতি ফিরিয়ে আনা হবে। তেলিয়ামুড়াস্থিত বিদ্যুৎ নিগমের অফিস পরিদর্শন করে এমনটাই জানালেন এলাকার বিধায়িকা কল্যাণী রায়। মঙ্গলবার দুপুরে বিধায়িকা কল্যাণী রায় তেলিয়ামুড়াস্থিত পূর্ত দপ্তর অফিসে যাচ্ছিলেন বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজকর্মের খোঁজ খবর নিতে। এমন সময় তেলিয়ামুড়া বিদ্যুৎ নিগম ডিভিশন
-২ অফিসের সামনে প্রচুর মানুষ জন জড়ো হয়ে আছে প্রত্যক্ষ করেন বিধায়িকা। এছাড়াও এই অফিসে গ্রাহকরা বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করতে এসে বিভিন্নভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছিল। মঙ্গলবার লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা গুটিকয়েক ভোক্তা অভিযোগ করে জানান, তারা বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করতে এবং প্রিপেইড কার্ড রিচার্জ করানোর জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন। কিন্তু প্রত্যেকদিনই এই তারা লাইন ধরে দাঁড়িয়ে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করতে পারছেন না অফিস কর্মচারীদের উদাসীনতার কারণে। এতে নিত্যদিন বিদ্যুৎ ভোক্তরা বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করতে গিয়ে ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই বিধায়িকা কল্যাণী রায় বিদ্যুৎ নিগমের অফিসটি পরিদর্শন করেন এবং অভিযোগের সত্যতাও পান। জানা গেছে, বিদ্যুৎ নিগমের অফিসে কম্পিউটারের সংখ্যাও কম, কিন্তু অফিস কর্তৃপক্ষ ইঞ্জিনিয়ার দেবাশীষ দাসের কোন হেলদোল নেই। পরে বিধায়িকা বিদ্যুৎ দপ্তরের এম ডি’র সাথে কথা বলেন সমস্যা নিরসনের জন্য। পরে বিধায়িকা জানান, সরকারি অফিসগুলোতে অফিস কর্মচারীরা বাম আমলের সংস্কৃতি এখনো বজায় রেখেছে। যার ফলে বিদ্যুৎ ভোক্তরা বিদ্যুৎ নিগমের অফিসে গিয়ে নিত্যদিন ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। তিনি এও বলেন, সরকারি প্রতিষ্ঠান গুলিতে বাম মার্গীয় সংস্কৃতি চলবে না। কর্মচারীরা অফিসে এসে কর্মসংস্কৃতি বজায় রাখতে হবে।
