সাগর দেব, তেলিয়ামুড়া, ২৫ মে || তেলিয়ামুড়া থানাকে ঘিরে মাদক সংযোগের অভিযোগে চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে থানার এক মহিলা সাব-ইন্সপেক্টর সহ মোট চারজন পুলিশ কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা গেছে। গ্রেফতার হওয়া মহিলা সাব-ইন্সপেক্টরের নাম সম্পা দাস। সোমবার তাকে তেলিয়ামুড়া থানা থেকে আটক করে প্রথমে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
একই ঘটনায় তেলিয়ামুড়া থানার ইন্সপেক্টর অজিত দেববর্মা, রাজেন্দ্র রিয়াং এবং স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি)-এর ইনচার্জ এএসআই শচীন্দ্র দেববর্মাকেও আটক করে তদন্তকারী সংস্থা। পুলিশের একাংশের বিরুদ্ধে মাদক চক্রের সঙ্গে যোগসাজশের অভিযোগ ওঠার পরই তদন্তে গতি আসে বলে সূত্রের খবর।
ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে সোমবার সকালেই তেলিয়ামুড়া থানায় পৌঁছান ঊর্ধ্বতন পুলিশ আধিকারিকরা। উপস্থিত ছিলেন ডিআইজি সঞ্জয় সাহা, এসবি ডিএসপি পান্না লাল সেন এবং নারকোটিক্স বিভাগের দুই ইন্সপেক্টর। তারা দীর্ঘ সময় ধরে থানার নথিপত্র খতিয়ে দেখেন এবং সংশ্লিষ্টদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন।
জানা গেছে, সম্প্রতি মাদক পাচার সংক্রান্ত একাধিক অভিযোগ এবং কিছু তথ্য প্রকাশ্যে আসার পর বিষয়টি নিয়ে নড়েচড়ে বসে পুলিশ প্রশাসন। পরবর্তীতে অভ্যন্তরীণ তদন্তে বেশ কিছু অসঙ্গতি সামনে আসায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তেলিয়ামুড়া জুড়ে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সাধারণ মানুষের একাংশের প্রশ্ন, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যদের বিরুদ্ধেই যদি গুরুতর অভিযোগ ওঠে, তবে তার সামাজিক প্রভাব কতটা গভীর হতে পারে। যদিও পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তদন্ত সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে পরিচালিত হবে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
