আপডেট প্রতিনিধি, আগরতলা, ০২ জুন ৷৷ যে কোন দেশ বা রাজ্যের উন্নয়নের চাবিকাঠি হল শান্তি, সম্প্রীতি ও সহাবস্থান। শান্তি না থাকলে উন্নয়নও কখনো সম্ভব নয়। আমাদের রাজ্যে শান্তি, সম্প্রীতি ও ঐক্য রয়েছে বলেই শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগ সহ সকল বিষয়েই উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রয়েছে। শুক্রবার কাঞ্চনপুর মহকুমা হাসপাতালের নব নির্মিত ভবনের দ্বারোদঘাটন অনুষ্ঠানে একথা বলেন মূখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার। মূখ্যমন্ত্রী নব নির্মিত এই ভবনের দ্বারোদঘাটন করেন। ১০০ শয্যা বিশিষ্ট কাঞ্চনপুর মহকুমা হাসপাতালটির নতুন ভবনটির নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ১০ কোটি ২৭ লক্ষ টাকা। দ্বারোদঘাটন অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য মন্ত্রী বাদল চৌধুরী, বিধায়ক অরুণ কুমার চাকমা, বিধায়ক রাজেন্দ্র রিয়াং, টি টি এ এ ডি সি-র কার্যনির্বাহী সদস্য রাজেন্দ্র রিয়াং, উত্তর ত্রিপুরা জিলা পরিষদের সভাধিপতি প্রতিমা দাস ও স্বাস্থ্য দপ্তরের অধিকর্তা জে কে দেববর্মা।কাঞ্চনপুর মহকুমা হাসপাতালের নব নির্মিত ভবনের দ্বারোদঘাটন
আপডেট প্রতিনিধি, আগরতলা, ০২ জুন ৷৷ যে কোন দেশ বা রাজ্যের উন্নয়নের চাবিকাঠি হল শান্তি, সম্প্রীতি ও সহাবস্থান। শান্তি না থাকলে উন্নয়নও কখনো সম্ভব নয়। আমাদের রাজ্যে শান্তি, সম্প্রীতি ও ঐক্য রয়েছে বলেই শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগ সহ সকল বিষয়েই উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রয়েছে। শুক্রবার কাঞ্চনপুর মহকুমা হাসপাতালের নব নির্মিত ভবনের দ্বারোদঘাটন অনুষ্ঠানে একথা বলেন মূখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার। মূখ্যমন্ত্রী নব নির্মিত এই ভবনের দ্বারোদঘাটন করেন। ১০০ শয্যা বিশিষ্ট কাঞ্চনপুর মহকুমা হাসপাতালটির নতুন ভবনটির নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ১০ কোটি ২৭ লক্ষ টাকা। দ্বারোদঘাটন অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য মন্ত্রী বাদল চৌধুরী, বিধায়ক অরুণ কুমার চাকমা, বিধায়ক রাজেন্দ্র রিয়াং, টি টি এ এ ডি সি-র কার্যনির্বাহী সদস্য রাজেন্দ্র রিয়াং, উত্তর ত্রিপুরা জিলা পরিষদের সভাধিপতি প্রতিমা দাস ও স্বাস্থ্য দপ্তরের অধিকর্তা জে কে দেববর্মা।