আপডেট প্রতিনিধি, আগরতলা, ০৬ নভেম্বর ৷৷ দুর্গাপূজার বিজয়ার পরবর্তী অমাবস্যার রাতেই দীপাবলীর আয়োজন। দীপাবলীর রাতে অনুষ্ঠিত হয় শ্যামা কালী পূজা। ‘দিওয়ালী’ নামেও পরিচিত দীপাবলী। অমাবস্যা রজনীর সমস্ত অন্ধকার দূর করে পৃথিবীকে আলোকিত করার অভিপ্রায়ে এই প্রদীপ প্রজ্বলন। পৃথিবীর সকল অন্ধকারের অমানিশা দূর করতেই এই আয়োজন। অশুভ শক্তির হাত থেকে প্রতিনিয়ত পৃথিবীকে রক্ষা করতেই এই আলোকিত করা। অমাবস্যার ঘুটঘুটে অন্ধকারে প্রদীপ জ্বালিয়ে আলোকিত করার প্রয়াস মানুষ সেই আদিকাল থেকেই করে আসছে।
কালী সংহারমূর্তি। কিন্তু এই সংহার নিষ্ঠুর ধ্বংস নয়। এই সংহার সংহরণ অর্থাৎ আপনার মধ্যে আকর্ষণ। সমুদ্রের তরঙ্গমালার উদ্ভব সমুদ্র থেকেই। আবার সেই তরঙ্গমালার লয়ও হয় সমুদ্র বক্ষে। সংহার তেমনই একটি ব্যাপার। এটি হলো তার নাশিনী শক্তি। আবার আদ্যাশক্তি বিশ্বপ্রসবকারিণী মায়ের উদর থেকেই জগৎ প্রপঞ্চের সৃষ্টি। তখন তিনি সৃজনী শক্তি ।
ভারতবর্ষের একান্ন পীঠের অন্যতম ত্রিপুরার উদয়পুরের ত্রিপুরেশ্বরী মন্দির – ঐতিহ্য আর পবিত্রতার নিদর্শন বহন করে চলেছে। জাগ্রত মায়ের দর্শনে ছুটে আসেন দূরদূরান্তের পূন্যার্থীরা। দীপাবলিকে কেন্দ্র করে সেজে উঠছে উদয়পুরের ত্রিপুরেশ্বরী মন্দির সহ গোটা উদয়পুর শহর। উদয়পুরের ত্রিপুরেশ্বরী মন্দির থেকে শুরু করে শহরের রাস্তায় অত্যাধুনিক বিভিন্ন ডিজাইনের বৈদ্যুতিক আলোর বন্যায় শহরকে ভাসিয়ে দিতে বড় অঙ্কের টাকা খরচ করা হয়েছে। শহরের পথে আলো ছড়াতে শুরু করেছে ত্রিপুরেশ্বরী মন্দিরের আলোক সজ্জা। বিশেষ করে এই আলোর বন্যা উদয়পুর শহরকে নতুন করে উদ্ভাসিত করেছে।
মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় উদয়পুরের ত্রিপুরেশ্বরী মন্দিরে দীপাবলি উৎসব ও মেলার উদ্বোধন করেন রাজ্যের মূখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব।