সাগর দেব, তেলিয়ামুড়া, ০৯ জুলাই || নেশা কারবারিদের দৌরাত্ম্য ক্রমেই বেড়ে চলেছে তেলিয়ামুড়া এলাকা জুড়ে। তার সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়ে চলেছে নেশা কারবারিদের আনাগোনা। প্রতিনিয়তই কোথাও না কোথাও নেশা সেবনকারি এবং নেশা কারবারি আনাগোনা পরিলক্ষিত হয়। ইদানিংকালে সারা রাজ্যের সাথে তাল মিলিয়ে তেলিয়ামুড়া মহকুমা এলাকাতেও গাঁজা পাচারকারীদের ক্রিয়াকলাপ ক্রমে বৃদ্ধি পেয়ে চলেছে। প্রায় প্রতিনিয়তই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় গাঁজা পাচারকারীর খবর শোনা যায়। রাজ্যের পুলিশ প্রশাসন থেকে শুরু করে তেলিয়ামুড়া পুলিশ প্রশাসন দায়সারা ভাবে কয়েকজনকে আটক করে তাদের কর্তব্য খতম করে।
আবারো তেলিয়ামুড়া মুঙ্গিয়াকামি থানাধীন আঠারোমুড়া এলাকা থেকে শুক্রবার সকাল নাগাদ ভেইকেল চেকিং এর সময় বহিঃরাজ্যের দুটি লরি থেকে আনুমানিক ১ কোটি টাকার গাঁজা উদ্ধার করে মুঙ্গিয়াকামি থানার পুলিশ। ঘটনার বিবরণে জানা যায়, এদিন সকাল নাগাদ প্রতিদিনের ন্যায় আঠারোমুড়া এলাকায় মুঙ্গিয়াকামী থানার পুলিশ ভিকেলস চেকিং করার সময় আগরতলা থেকে বহিঃরাজ্য শিলিগুড়ির উদ্দেশ্যে আশা দুইটি লরি যার নাম্বার PB10 DZ 9404 এবং অপর আরেকটি গাড়ি যার নাম্বার ML08 GA 094 দুইটি গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে প্রচুর পরিমাণ গাঁজা উদ্ধার করে। যার বাজার মূল্য আনুমানিক এক কোটি টাকার উপর হবে বলে পুলিশ জানায়। তৎসঙ্গে দুইটি লরি থেকে চালক এবং সহ চালক সহ তিনজনকে আটক করা হয় বলে জানা গেছে। আটককৃত তিন ব্যক্তি বর্তমানে মুঙ্গিয়াকামি থানায় রয়েছে বলে জানা যায়। এই ঘটনার খবর পেয়ে তৎক্ষণাৎ ঘটনাস্থলে ছুটে যান তেলিয়ামুড়া মহাকুমা পুলিশ আধিকারিক সুনা চরণ জমাতিয়া। এই ঘটনায় পুলিশ একটি মামলা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে। অন্যদিকে কিভাবে গাঁজা বোঝাই লরিগুলি আগরতলা থেকে জিরানিয়া, রাণীরবাজার থানা, চম্পকনগর আউট পোস্ট পেরিয়ে তেলিয়ামুড়া এলাকাতে এসে ধরা পড়ছে এ নিয়ে বিভিন্ন থানার পুলিশের ভূমিকার উপর নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে জনমনে।
অপরদিকে হাওয়াইবাড়ির এলাকায় সকালবেলা ভিকেলস চেকিং সময় হয় হাওয়াই বাড়ি নাকাপয়েন্টে এলাকায় একটি মারুতি গাড়ি আটক করে তেলিয়ামুড়া ট্রাফিক ইউনিট। গাড়িটিতে তল্লাশি চালিয়ে ৭৯ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। যার বাজারমূল্য তিন লক্ষ টাকা। অভিযানে নেতৃত্ব ছিলেন ট্রাফিক ডিএসপি বিক্রম জিৎ শুক্ল দাস। গাড়িতে থাকা দু’জনকে আটক করে পুলিশ।

