বিশ্বেশ্বর মজুমদার, শান্তিরবাজার, ১৯ ডিসেম্বর || জোলাইবাড়ীর কাকুলিয়া ব্রীজ সংলগ্ন এলাকায় জাতীয় সড়ক অবরোধে বসে মালবাহী যান চালক ও শ্রমিকরা। ঘটনার বিবরনে জানা যায়, শান্তিরবাজার মহকুমার অন্তর্গত জোলাইবাড়ীর বালু বোঝাই গাড়ীগুলি প্রতিনিয়ত কাকুলীয়া বন দপ্তরের রেঞ্জার শিবু দাসের দ্বারা হেনস্থার শিকার হতে হচ্ছে এমনটাই অভিযোগ। বালু বোঝাই যানচালকরা জানান, বিগত দিনে বালু বোঝাই করে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যাতাযাতের জন্য বন দপ্তর থেকে ভাট্টাইল কাটলে ৩ থেকে ৪ ঘন্টা সময় দেওয়া হতো। বর্তমানে নাকি জেলার বন আধিকারিক সেই সময় সীমা কমিয়ে ৩০ মিনিট থেকে ১ ঘন্টা করেছেন। বালিগুলি যদি লোকালে কোনো গ্রাহককে দেওয়া হয় তাহলে ৩০ মিনিট সময় এবং বাইরে কোনো গ্রাহককে দিলে ১ ঘন্টা সময় দেওয়া হচ্ছে। এতে করে বালি বোঝাই যান চালকরা ও শ্রমিকরা বিশেষ অসুবিধার সন্মুখিন হতে হচ্ছে। সকলের অভিযোগ, বন দপ্তর থেকে ভাট্টাইল কেটে নদীর ঘাটে গিয়ে গাড়ীতে বালি বোঝাই করতেই বন দপ্তরের দেওয়া সময়সীমা শেষ হয়ে যায়। পরবর্তী সময় বালি বোঝাই করে নিতে গেলেই রেঞ্জার শিবু দাস গাড়ী আটক করে রাখছে। অপরদিকে যান চালকদের অভিযোগ, জোলাইবাড়ীতে একটিমাত্র বালি তোলার লাইসেন্স রয়েছে। যার মধ্যে উনার কাছে পর্যাপ্তপরিমানে বালি নেই। অন্যত্র থেকে বালি বোঝাই করতে গিয়েও সকলকে অসুবিধার সন্মুখিন হতে হচ্ছে। বর্তমানে সারা রাজ্যজুরে ব্যাপক পরিমানে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার ঘর দেওয়া হয়েছে। সঠিকভাবে বালি সরবরাহ না হলে ঘর নির্মানে সকলকে বিশেষ অসুবিধার সন্মুখিন হতে হবে। তাই সকলে চাইছে এই বিষয়ে রাজ্য সরকার যেন বিশেষ নজর দেন। সড়ক অবরোধের পরবর্তী সময় বন দপ্তরের কর্মী থেকে শ্রমিকরা ও যান চালকরদের জানানো হয় সোমবার জেলার বন আধিকারিকের উপস্থিতিতে সমস্ত বিষয়ে আলোচনা করা হবে। এই কথা জানতে পের শ্রমিকরা ও যানচালকরা পথ অবরোধ মুক্ত করে। উনারা সংবাদমাধ্যমের সন্মুখিন হয়ে জানান, এই সমস্যার সমাধান না হলে উনারা আগামীদিনে আরো বৃহত্তর আন্দোলনে সামিল হবেন। এখন দেখার বিষয় রাজ্যে উন্নয়নের ধারা বজায়রাখতে বনদপ্তর কিপ্রকার পদক্ষেপ গ্রহনকরে।
