দীর্ঘ প্রায় ৫০ বছর পর ড্রেন নির্মানের ফলে খুশি তেলিয়ামুড়া পৌর পরিষদের ১২নং ওয়ার্ডের এলাকাবাসী

সাগর দেব, তেলিয়ামুড়া, ১০ ফেব্রুয়ারী || দীর্ঘ প্রায় পঞ্চাশ বছরের বঞ্চনার অবসান ঘটলো বর্তমান সরকারের আমলে। বর্তমান সরকার সহ বর্তমান সরকার পরিচালনাধিন তেলিয়ামুড়া পৌর প্রশাসনের বিশেষ প্রচেষ্টায় অবশেষে জলের নিচে তলিয়ে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা পেল তেলিয়ামুড়া পৌর পরিষদের ১২নং ওয়ার্ডের অন্তর্গত বিশাল একটি এলাকা।
উল্লেখ্য, তেলিয়ামুড়া পৌর পরিষদের অন্তর্গত এই ১২নং ওয়ার্ডের বিশাল একটি এলাকা বিগত প্রায় পঞ্চাশ বছর ধরে বর্ষাকালে অতিরিক্ত জলপ্রবাহের কারণে জল প্লাবিত হয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা থেকে শুরু করে বাড়ি ঘরও জলের নিচে তলিয়ে যেত। ফলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হত ঐ এলাকার বাসিন্দাদের। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় হলেও সত্যি মানুষজনদের দাবি থাকার সত্ত্বেও বিগত বাম সরকারের আমলে কিংবা বাম সরকার পরিচালিত তৎকালীন নগর পঞ্চায়েত প্রশাসন ও পৌর প্রশাসনের গোচরে এই বিষয়টি থাকলেও তৎকালীন বাম সরকারাধীন প্রশাসন ওই এলাকার মানুষজনেদের এই সমস্যাটি সমাধানের জন্য কোন প্রকারের উদ্যোগই গ্রহণ করেনি।
পরবর্তীতে ২০১৮ সালে এ রাজ্যে সরকার পরিবর্তন হয়, গঠিত হয় বর্তমান সরকার পরিচালনাধীন তেলিয়ামুড়া পৌর পরিষদ। যদিও প্রথম অবস্থায় এলাকার লোকজনদের বেশ কিছু অযৌক্তিক দাবি থাকার কারণে এই সমস্যাটি সমাধানের জন্য কিছুটা বেগ পেতে হয়েছিল। কিন্তু তেলিয়ামুড়া বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়িকা কল্যাণী সাহা রায়ের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় এবং তেলিয়ামুড়া পৌর পরিষদের চেয়ারম্যান রূপক সরকারের সক্রিয় ভূমিকা ও তৎপরতায় ওই এলাকায় তেলিয়ামুড়া পৌর পরিষদের উদ্যোগে ৩ লক্ষ ৪৫ হাজার টাকা ব্যয় করে গোটা এলাকাকে জল প্লাবনের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য প্রায় তিন ফুট চওড়া এবং ৫২ মিটার লম্বা একটি ড্রেন নির্মানের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয় এবং আগামী বর্ষাকাল আসার আগেই নির্মাণ কাজ সম্পূর্ণ করার লক্ষ্যমাত্রা’কে সামনে রেখে সঙ্গে সঙ্গে ড্রেনটির নির্মাণ কাজও শুরু করে দেওয়া হয়। যা আর আগামী কিছুদিনের মধ্যেই সম্পূর্ণভাবে তৈরি হয়ে যাবে, এই ড্রেনটি তৈরি হয়ে গেলে বর্ষাকালে ওই গোটা এলাকা জল প্লাবিত হওয়ার হাত থেকে চিরতরে মুক্তি পাবে বলে জানিয়েছেন তেলিয়ামুড়া পৌর পরিষদের চেয়ারম্যান রূপক সরকার।

FacebookTwitterGoogle+Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*