আপডেট প্রতিনিধি, আগরতলা, ২৫ মে || ফিট ইন্ডিয়া আন্দোলনের অধীনে স্পোর্টস অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (SAI), রিজিওনাল সেন্টার, কলকাতার আয়োজনে রবিবার আগরতলায় “সানডেস অন সাইকেল” ইভেন্টের আয়োজন করা হয়। ঐতিহাসিক উজ্জয়ন্ত প্রাসাদ থেকে সকাল ৬টা ৪৫ মিনিটে ত্রিপুরার রাজ্যপাল ইন্দ্রসেনা রেড্ডি নাল্লু এই ইভেন্টের শুভ সূচনা করেন।
এদিন রাজ্যপাল উনার বক্তব্যে সাইকেল চালনাকে হৃদযন্ত্রের সুস্থতা ও সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি কার্যকলাপ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি ফিট ইন্ডিয়া আন্দোলনের অধীনে এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান এবং গ্রামীণ পর্যায় থেকে শুরু করে স্কুল ও সমাজের সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে এ ধরনের ইভেন্টের সম্প্রসারণের উপর জোর দেন।
ত্রিপুরা সরকারের যুব বিষয়ক ও ক্রীড়া দপ্তরের মন্ত্রী টিংকু রায় এই ইভেন্টে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। তিনি রাজ্যের ক্রীড়া অবকাঠামো উন্নয়ন ও মেডেল অর্জনের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির কথা তুলে ধরেন। এছাড়াও, তিনি রাজ্যে একটি সক্রিয় সাইক্লিং কালচার গড়ে তোলার লক্ষ্যের কথা বলেন, যা শুধু ব্যক্তিগত ফিটনেসই নয়, বরং সবুজ ও পরিচ্ছন্ন শহর গঠনেও ভূমিকা রাখবে।
বিশিষ্ট ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব ও অতিথিদের মধ্যে অর্জুন পুরস্কারপ্রাপ্ত জিমন্যাস্ট মান্টু দেবনাথ উপস্থিত ছিলেন। তিনি ফিট ইন্ডিয়া আন্দোলনের উদ্যোগগুলোর প্রশংসা করে বলেন যে এটি মানুষকে স্বাস্থ্যবান, সুখী ও ফিট রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরা সরকারের যুব ও ক্রীড়া সচিব ডঃ প্রদীপ কুমার চক্রবর্তী (আইএএস), যুব ও ক্রীড়া অধিদপ্তরের পরিচালক এস.বি. নাথ এবং নর্থ ইস্ট স্পোর্টস অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি জেনারেল জন এম খারশিং।
স্থানীয় ১৫০ জন সাইক্লিং উৎসাহী, অসম রাইফেলসের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও আগরতলা সাইক্লোহোলিক ফাউন্ডেশনের সদস্যরা ৫ কিলোমিটার দূরত্বের সাইকেল রাইডে অংশ নিয়ে অক্সিজেন পার্ক, গান্ধী গ্রাম পর্যন্ত পৌঁছান।
SAI রিজিওনাল সেন্টার, কলকাতার সহকারী পরিচালক লক্ষ্মণ ডোঙ্গারি ও STC আগরতলার সেন্টার ইনচার্জ অরিন্দম সমস্ত অংশগ্রহণকারী, অতিথি ও সহযোগী সংগঠনগুলোর প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
“সানডেস অন সাইকেল” উদ্যোগ ফিট ইন্ডিয়া আন্দোলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে স্বাস্থ্যকর ও সক্রিয় ভারত গঠনে অবদান রাখছে।
ফিট ইন্ডিয়া আন্দোলনের অধীনে স্পোর্টস অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার এই উদ্যোগ সাইক্লিংকে জনসাধারণের দৈনন্দিন জীবনের অংশ করে তোলার মাধ্যমে ফিটনেস বৃদ্ধি, স্থূলতা কমানো ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনে উৎসাহিত করছে।
প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে শুরু এই জাতীয় প্রচারণার লক্ষ্য মানুষের দৈনন্দিন জীবনে শারীরিক কার্যকলাপ ও ক্রীড়াকে অন্তর্ভুক্ত করা।
