সুব্রত দাস, গন্ডাছড়া, ১৫ নভেম্বর || প্রায় দুই মাস ধরে ভারত ভ্রমণে থাকা নেদারল্যান্ডসের এক পর্যটক সম্প্রতি ত্রিপুরার মনোমুগ্ধকর প্রকৃতি ও আন্তরিক আতিথেয়তায় মুগ্ধ হয়ে পড়েছেন। নারিকেল কুঞ্জ–ডুম্বুর জলাশয়ের পাশে অবস্থিত মনজুরোনি নেচার ক্যাম্পে অবস্থানকালে তিনি তাঁর বিস্তৃত ভ্রমণ অভিজ্ঞতা এবং ত্রিপুরা সফরের স্মৃতিগুলো শেয়ার করেন।
ইউনিটি প্রোমো ফেস্ট-এর পর থেকেই ডুম্বুর এলাকায় পর্যটকদের আগমন বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে। বিশেষ করে নারকেল কুঞ্জে বিদেশি পর্যটকদের ভিড় রাজ্যের পর্যটন শিল্পে নতুন আশার আলো দেখাচ্ছে। নেদারল্যান্ডস থেকে আগত দুই পর্যটক জানান, ত্রিপুরার অজানা অথচ অপূর্ব সৌন্দর্য তাঁদের হৃদয়কে স্পর্শ করেছে।
পর্যটকদের ভাষায়, নারকেল কুঞ্জ যেন “একটি স্বপ্নের মতো”—চারপাশ ঘিরে থাকা সবুজ পাহাড়, জলরাশির মাঝে ছড়িয়ে থাকা প্রায় ৪৮টি দ্বীপ এবং নির্মল পরিবেশ তাঁদের গভীরভাবে অভিভূত করেছে। বোটে চড়ে পুরো জলাশয় ঘুরে দেখা এবং রিসর্টের নির্জন প্রাকৃতিক আবহে সময় কাটানো—সব মিলিয়ে এটি তাঁদের জীবনের এক “অবিস্মরণীয় অভিজ্ঞতা”।
এছাড়াও ত্রিপুরার মানুষের আন্তরিকতা, উষ্ণ অভ্যর্থনা এবং স্থানীয় খাবারের প্রশংসায় তাঁরা পঞ্চমুখ। তাঁদের মতে, ভারতের অন্যান্য জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্রের তুলনায় ত্রিপুরার এই এলাকা এখনও অপেক্ষাকৃত অজানা—আর সেই কারণেই এর আকর্ষণ আরও বহুগুণ বেড়েছে। নীরবতা ও অ্যাডভেঞ্চারপ্রেমীদের জন্য এটি এক আদর্শ গন্তব্য বলে তাঁরা মন্তব্য করেন।
বিশেষজ্ঞ মহলের আশা, বিদেশি পর্যটকদের এই ইতিবাচক অভিজ্ঞতা ও প্রশংসা ডুম্বুর জলাশয়কে আন্তর্জাতিক পর্যটন মানচিত্রে আরও সুদৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করবে এবং ত্রিপুরার পর্যটন শিল্পকে নতুন গতি দেবে।
