বিশ্বেশ্বর মজুমদার, শান্তিরবাজার, ১৪ আগস্ট || জোলাইবাড়ী বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত পশ্চিম পিলাক দ্বাদশশ্রেণি বিদ্যালয়ের এক শিক্ষিকা ও বিদ্যালয়ে কর্মরত এক ক্লার্কের বিরুদ্ধে কয়েকজন ছাত্র ও অভিভাবকের করা অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করলেন বিদ্যালয়ের কিছু সংখ্যক অভিভাবক। তাঁদের অভিযোগ, শিক্ষিকা ও ক্লার্ক ছাত্রদের মারধর করে গুরুতর আহত করেছেন—এমন অভিযোগ সামনে আসার পর থেকেই বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা ও কর্মীদের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে।
অভিভাবকদের দাবি, অভিযোগের জেরে সংশ্লিষ্ট শিক্ষিকা বর্তমানে বিদ্যালয়ে আসছেন না। পাশাপাশি বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধানশিক্ষকও কর্মজীবন থেকে বিরতি নেওয়ার চেষ্টা করছেন বলে জানা গেছে। এতে বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক পঠন-পাঠন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে দাবি অভিভাবকদের।
অভিভাবকদের একাংশের অভিযোগ, বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা থেকে শুরু করে স্থানীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধেও বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ তুলে তাঁদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা চলছে। তাঁদের দাবি, কিছু সংখ্যক ছাত্রের আচরণ নিয়েও বিদ্যালয়ে অসন্তোষ রয়েছে। এমনকি সংশ্লিষ্ট শিক্ষিকাকে কটূক্তি ও অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করার অভিযোগও উঠেছে।
অভিভাবকরা বলেন, কয়েকজনের অভিযোগের কারণে যাতে বিদ্যালয়ের অন্যান্য ছাত্রছাত্রীদের পড়াশোনার ক্ষতি না হয়, সেদিকে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। তাঁদের মতে, অভিজ্ঞ শিক্ষক-শিক্ষিকারা বিদ্যালয়ে না থাকলে পঠন-পাঠনের পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এবং এর প্রভাব পড়বে অসংখ্য ছাত্রছাত্রীর ভবিষ্যতের উপর।
তাই বিদ্যালয়ের অভিভাবকদের একাংশের দাবি, বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করা হোক এবং শিক্ষক-শিক্ষিকাদের নিরাপদ ও স্বাভাবিক পরিবেশে বিদ্যালয়ে থেকে ছাত্রছাত্রীদের পাঠদান করার সুযোগ দেওয়া হোক। একইসঙ্গে কয়েকজনের অভিযোগের কারণে যাতে গোটা বিদ্যালয়ের শিক্ষাব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়েও প্রশাসনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
