আপডেট প্রতিনিধি, আগরতলা, ০৮ জুন ৷৷ সভ্য সমাজের বুকে সবচাইতে নারকীয় কান্ড ঘটে যায় বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামে। গত ২ জুন পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙ্গামাটি জেলায় আদিবাসীদের উপর বর্বরোচিত হামলা সংগঠিত হয়। সেদিন সেখানের একটি সম্প্রদায়ের মিছিল ছেকে হামলা করা হয় শত শত উপজাতি বাড়িঘরে। পুড়িয়ে দেওয়া হয় ৩টি উপজাতি গ্রামের প্রায় তিন শতাধিক বাড়িঘর। চালানো হয় ব্যাপক লুটপাট। অগ্নি সংযোগ ও হামলার ঘটনায় সেদিন প্রান হারিয়েছিল ৭ জন নিরীহ উপজাতির।স্বাভাবিকভাবেই ন্যাক্কারজনক এই ঘটনার প্রতিবাদে বাংলাদেশ সহ বিভিন্ন রাষ্ট্রে থাকা আদিবাসী জনজাতি মানুষের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। বর্বরোচিত এই ঘটনার প্রতিবাদে রাজ্যেও এবার একযোগে সরব হল ‘চাকমা ন্যাশনাল কাউন্সিল অব ইন্ডিয়া’, ‘ত্রিপুরা চাকমা স্টুডেন্ট এসোসিয়েশন’, ‘ত্রিপুরা বরক পিপলস হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন’, ‘অল ত্রিপুরা স্টুডেন্টস এসোসিয়েশন’। এই সংগঠনগুলির যৌথ উদ্যোগে এবং ত্রিপুরা রাজ্য চাকমা চাকমা সামাজিক পরিষদের সার্বিক সহযোগীতায় বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানী আগরতলায় এক প্রতিবাদ র্যারলি সংগঠিত করা হয়। এদিন সারা রাজ্য থেকে চাকমা সহ অন্যান্য আদিবাসী জনগোষ্ঠীর লোকেরা আগরতলার রবীন্দ্র শতবার্ষিকী ভবন চত্বর থেকে প্রতিবাদ র্যাযলি করে শহরের বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করে আগরতলাস্থিত বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশন অফিস চত্বরে গিয়ে মিলিত হন। সেখান থেকে সংগঠনগুলির এক প্রতিনিধিদল ডেপুটি হাইকমিশনের সঙ্গে মিলিত হয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্দেশ্যে একটি স্মারকলিপি তুলে ধরেন। এই কর্মসূচী থেকে মোট ৬ দফা দাবী সনদ তুলে দেওয়া হয়।
