আপডেট প্রতিনিধি, আগরতলা, ০৭ ডিসেম্বর ৷৷ ১৯৪৯ সাল থেকে ভারতে ৬ই ডিসেম্বর যথাযথ মর্যাদায় পালন করা হয় সর্বভারতীয় অসামরিক প্রতিরক্ষা ও গৃহরক্ষী দিবস। ভারতে এবছর দিবসটির ৫৫তম বর্ষ উদযাপন হচ্ছে। এই দেশের সর্বভৌমত্ব রক্ষায় যে সমস্ত বীর সৈনিক আত্মহুতি দিয়েছেন যাঁদের সৌজন্যে দেশের অখণ্ডতা স্থিতিশীল সেই সৈনিকদের জন্যই ভারতের পতাকা দিবস সমর্পিত। জীবন বিপন্ন করে দেশ মাতৃকাকে যারা শত্রুর হাত থেকে প্রতিমুহূর্তে রক্ষা করছেন, রক্ত ঝরাচ্ছেন তাদের জন্য পতাকা দিবসে গোটা দেশ থেকে মানুষের আর্থিক সাহায্য নিয়ে বীর সৈনিক ও তাদের পরিবারের কল্যানে ব্যয় করা হয়। রাজ্যেও পালন করা হয়েছে ৫৫তম সর্বভারতীয় অসামরিক প্রতিরক্ষা ও গৃহরক্ষী দিবস। দিবসের মূল অনুষ্ঠান আয়োজিত হয় অরুন্ধতীনগরস্থিত পুলিশ প্যারেড গ্রাউন্ডে। এদিন অনুষ্ঠানে অসামরিক প্রতিরক্ষা ও গৃহরক্ষী বাহিনীর সদস্যগণ প্যারেড পদর্শন করেন। পরযটন মন্ত্রী রতন ভৌমিক কূচকাওয়াজে অভিবাদন গ্রহন করেন। অন্যান্যদের মধ্যে পুলিশ প্যারেড গ্রাউন্ডে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য পুলিশের মহা নির্দেশক এ কে শুক্লা, পশ্চিম ত্রিপুরা জেলা শাসক ডঃ মিলিন্দ রামটেকে, অসামরিক প্রতিরক্ষা ও গৃহরক্ষী বাহিনীর জওয়ান, তাদের পরিবার সহ সংশ্লিষ্ট বাহিনীর উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা।সর্বভারতীয় অসামরিক প্রতিরক্ষা ও গৃহরক্ষী দিবস পালিত রাজ্যে
আপডেট প্রতিনিধি, আগরতলা, ০৭ ডিসেম্বর ৷৷ ১৯৪৯ সাল থেকে ভারতে ৬ই ডিসেম্বর যথাযথ মর্যাদায় পালন করা হয় সর্বভারতীয় অসামরিক প্রতিরক্ষা ও গৃহরক্ষী দিবস। ভারতে এবছর দিবসটির ৫৫তম বর্ষ উদযাপন হচ্ছে। এই দেশের সর্বভৌমত্ব রক্ষায় যে সমস্ত বীর সৈনিক আত্মহুতি দিয়েছেন যাঁদের সৌজন্যে দেশের অখণ্ডতা স্থিতিশীল সেই সৈনিকদের জন্যই ভারতের পতাকা দিবস সমর্পিত। জীবন বিপন্ন করে দেশ মাতৃকাকে যারা শত্রুর হাত থেকে প্রতিমুহূর্তে রক্ষা করছেন, রক্ত ঝরাচ্ছেন তাদের জন্য পতাকা দিবসে গোটা দেশ থেকে মানুষের আর্থিক সাহায্য নিয়ে বীর সৈনিক ও তাদের পরিবারের কল্যানে ব্যয় করা হয়। রাজ্যেও পালন করা হয়েছে ৫৫তম সর্বভারতীয় অসামরিক প্রতিরক্ষা ও গৃহরক্ষী দিবস। দিবসের মূল অনুষ্ঠান আয়োজিত হয় অরুন্ধতীনগরস্থিত পুলিশ প্যারেড গ্রাউন্ডে। এদিন অনুষ্ঠানে অসামরিক প্রতিরক্ষা ও গৃহরক্ষী বাহিনীর সদস্যগণ প্যারেড পদর্শন করেন। পরযটন মন্ত্রী রতন ভৌমিক কূচকাওয়াজে অভিবাদন গ্রহন করেন। অন্যান্যদের মধ্যে পুলিশ প্যারেড গ্রাউন্ডে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য পুলিশের মহা নির্দেশক এ কে শুক্লা, পশ্চিম ত্রিপুরা জেলা শাসক ডঃ মিলিন্দ রামটেকে, অসামরিক প্রতিরক্ষা ও গৃহরক্ষী বাহিনীর জওয়ান, তাদের পরিবার সহ সংশ্লিষ্ট বাহিনীর উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা।