বিশ্বেশ্বর মজুমদার, শান্তিরবাজার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ৷৷ ত্রিপুরার আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপিকে বিপুল ভোটে জয়ী করার লক্ষ্যে আগামী ৮ই ফেব্রুয়ারী ত্রিপুরাতে আসছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ত্রিপুরাতে উনি দুটি জনসভা করবে বলে জানা যায়। পূর্বে বিজেপি’র রাজ্য সভাপতি বিপ্লব কুমার দেব ঘোষনা করেছিল দুটি জমায়েতের মধ্যে একটি হবে ঊনকোটি জেলার কৈলাশহর এবং অপরটি হবে দক্ষিন ত্রিপুরার শান্তিরবাজারে। এরই পরিপেক্ষিতে দক্ষিন জেলার বিজেপি সমর্থীত কর্মীরা খুবই আনন্দিত হয়ে উঠেছিল। দিল্লী থেকে এন এস জি-র বিশেষ প্রতিনিধির দল শান্তির বাজার দ্বাদশ শ্রেনী বিদ্যালয় মাঠে জমায়েতের মঞ্চ ও মাঠ পরিদর্শন করেন। এর মধ্যে হেলিপেডে অবতরনের সমস্ত কাজ শেষের পথে। বিজেপি সমর্থীত কর্মীরা অতি উৎসাহের সহিত দিন রাত্র মাঠে কাজ করে চলছে। এরই মধ্যে সোমবার রাত্রে খবর আসে প্রধানমন্ত্রীর শান্তিরবাজারের জনসভাকে পরিবর্তন করে সোনামুড়ায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এই খবর ছরিয়ে পরার সঙ্গে সঙ্গে দক্ষিনে বিজেপি সমর্থীত কর্মীরা হতাশ হয়ে পড়েন। মঙ্গলবার এই হতাশ কর্মিদের শান্তনা দিতে শান্তিরবাজার আসলেন আসামের স্বাস্থ্য মন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা ও বিজেপি’র রাজ্য প্রভারী সুনিল দেওধর। শান্তির বাজার মহামুনি এলাকায় এক উঠান সভায় সকলে মিলিত হয়। কিন্তু সন্তনা দিতে এসে হতাশাগ্রস্থ কর্মীদের ক্ষোভের মুখে পরেন নেতৃত্বরা। তাদের সকলের মুখে একটাই কথা আগামী ৮ তারিখ শান্তিরবাজার প্রধানমন্ত্রী না আসলে দলের মধ্যে বিশাল ফাটলের সৃষ্টি হবে। প্রধানমন্ত্রী আসবেনা শুনে বিজেপি’র মহিলা কর্মীরা কান্নায় ভেঙ্গে পরেন। উঠানসভা শেষে নেতৃত্বরা শান্তিরবাজার দ্বাদশ শ্রেনী বিদ্যালয়ের মাঠ ও কাজ গুলি পরিদর্শন করেন। এখন দক্ষিন ত্রিপুরা বিজেপি সমর্থীত কর্মীদের একটাই নজর আগামী ৮ তারিখ কি হতে চলছে।ভেস্তেগেল শান্তিরবাজারে প্রধানমন্ত্রীর জনসভা, সোনামুড়ায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী
বিশ্বেশ্বর মজুমদার, শান্তিরবাজার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ৷৷ ত্রিপুরার আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপিকে বিপুল ভোটে জয়ী করার লক্ষ্যে আগামী ৮ই ফেব্রুয়ারী ত্রিপুরাতে আসছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ত্রিপুরাতে উনি দুটি জনসভা করবে বলে জানা যায়। পূর্বে বিজেপি’র রাজ্য সভাপতি বিপ্লব কুমার দেব ঘোষনা করেছিল দুটি জমায়েতের মধ্যে একটি হবে ঊনকোটি জেলার কৈলাশহর এবং অপরটি হবে দক্ষিন ত্রিপুরার শান্তিরবাজারে। এরই পরিপেক্ষিতে দক্ষিন জেলার বিজেপি সমর্থীত কর্মীরা খুবই আনন্দিত হয়ে উঠেছিল। দিল্লী থেকে এন এস জি-র বিশেষ প্রতিনিধির দল শান্তির বাজার দ্বাদশ শ্রেনী বিদ্যালয় মাঠে জমায়েতের মঞ্চ ও মাঠ পরিদর্শন করেন। এর মধ্যে হেলিপেডে অবতরনের সমস্ত কাজ শেষের পথে। বিজেপি সমর্থীত কর্মীরা অতি উৎসাহের সহিত দিন রাত্র মাঠে কাজ করে চলছে। এরই মধ্যে সোমবার রাত্রে খবর আসে প্রধানমন্ত্রীর শান্তিরবাজারের জনসভাকে পরিবর্তন করে সোনামুড়ায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এই খবর ছরিয়ে পরার সঙ্গে সঙ্গে দক্ষিনে বিজেপি সমর্থীত কর্মীরা হতাশ হয়ে পড়েন। মঙ্গলবার এই হতাশ কর্মিদের শান্তনা দিতে শান্তিরবাজার আসলেন আসামের স্বাস্থ্য মন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা ও বিজেপি’র রাজ্য প্রভারী সুনিল দেওধর। শান্তির বাজার মহামুনি এলাকায় এক উঠান সভায় সকলে মিলিত হয়। কিন্তু সন্তনা দিতে এসে হতাশাগ্রস্থ কর্মীদের ক্ষোভের মুখে পরেন নেতৃত্বরা। তাদের সকলের মুখে একটাই কথা আগামী ৮ তারিখ শান্তিরবাজার প্রধানমন্ত্রী না আসলে দলের মধ্যে বিশাল ফাটলের সৃষ্টি হবে। প্রধানমন্ত্রী আসবেনা শুনে বিজেপি’র মহিলা কর্মীরা কান্নায় ভেঙ্গে পরেন। উঠানসভা শেষে নেতৃত্বরা শান্তিরবাজার দ্বাদশ শ্রেনী বিদ্যালয়ের মাঠ ও কাজ গুলি পরিদর্শন করেন। এখন দক্ষিন ত্রিপুরা বিজেপি সমর্থীত কর্মীদের একটাই নজর আগামী ৮ তারিখ কি হতে চলছে।