আপডেট প্রতিনিধি, আগরতলা, ০১ জুন ৷৷ আগামী ১৫ আগষ্টের মধ্যে ত্রিপুরা রাজ্যকে খোলা জায়গায় মল ত্যাগ মুক্ত রাজ্য হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে রাজ্য সরকার। এই ক্ষেত্রে যা যা করা প্রয়োজন সেই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে উদ্যোগ নিতে হবে। শুক্রবার মহাকরণের ১নং কনফারেন্স হলে পূর্ত দপ্তরের পানীয় জল ও স্বাস্থ্য বিধি দপ্তরের পর্যালোচনা বৈঠকে একথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ড্রিম প্রোজেক্টের মধ্যে এটি অন্যতম। তাই এই কর্মসূচীকে সম্পূর্ণভাবে বাস্তবায়িত করতে হবে। এক্ষেত্রে কোনও ধরনের অবহেলা করা চলবেনা। তিনি বলেন এই কর্মসূচীকে বাস্তবায়ন করতে প্র্যোজনে গ্রামের বেকার ও স্বেচ্ছাসেবকদের যুক্ত করতে হবে। এই কাজের তদারকি করার জন্য রাজ্যের ৮টি জেলায় ৮ জন মন্ত্রীকে দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় পর্যালোচনা সভায়। সভায় মূখ্যমন্ত্রী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মূখ্যমন্ত্রীর উপদেষ্টা বিজয় কুমার ছিব্বার, কৃষি দপ্তরের প্রধান সচিব ইউ ভেঙ্কেটেশ্বরালু, মূখ্যমন্ত্রীর প্রধান সচিব কুমার অলোক, গ্রাম উন্নয়ন দপ্তরের প্রধান সচিব এল কে গুপ্তা, পূর্ত দপ্তরের সচিব শান্তনু, পূর্ত দপ্তরের পানীয় জল ও স্বাস্থ্য বিধি দপ্তরের চীফ ইঞ্জিনীয়ার সোমেশ চন্দ্র সাহা প্রমুখ।খোলা জায়গায় মল ত্যাগ মুক্ত রাজ্য হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যমাত্রা নিল রাজ্য সরকার
আপডেট প্রতিনিধি, আগরতলা, ০১ জুন ৷৷ আগামী ১৫ আগষ্টের মধ্যে ত্রিপুরা রাজ্যকে খোলা জায়গায় মল ত্যাগ মুক্ত রাজ্য হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে রাজ্য সরকার। এই ক্ষেত্রে যা যা করা প্রয়োজন সেই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে উদ্যোগ নিতে হবে। শুক্রবার মহাকরণের ১নং কনফারেন্স হলে পূর্ত দপ্তরের পানীয় জল ও স্বাস্থ্য বিধি দপ্তরের পর্যালোচনা বৈঠকে একথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ড্রিম প্রোজেক্টের মধ্যে এটি অন্যতম। তাই এই কর্মসূচীকে সম্পূর্ণভাবে বাস্তবায়িত করতে হবে। এক্ষেত্রে কোনও ধরনের অবহেলা করা চলবেনা। তিনি বলেন এই কর্মসূচীকে বাস্তবায়ন করতে প্র্যোজনে গ্রামের বেকার ও স্বেচ্ছাসেবকদের যুক্ত করতে হবে। এই কাজের তদারকি করার জন্য রাজ্যের ৮টি জেলায় ৮ জন মন্ত্রীকে দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় পর্যালোচনা সভায়। সভায় মূখ্যমন্ত্রী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মূখ্যমন্ত্রীর উপদেষ্টা বিজয় কুমার ছিব্বার, কৃষি দপ্তরের প্রধান সচিব ইউ ভেঙ্কেটেশ্বরালু, মূখ্যমন্ত্রীর প্রধান সচিব কুমার অলোক, গ্রাম উন্নয়ন দপ্তরের প্রধান সচিব এল কে গুপ্তা, পূর্ত দপ্তরের সচিব শান্তনু, পূর্ত দপ্তরের পানীয় জল ও স্বাস্থ্য বিধি দপ্তরের চীফ ইঞ্জিনীয়ার সোমেশ চন্দ্র সাহা প্রমুখ।