বিশ্বেশ্বর মজুমদার, শান্তিরবাজার, ২৫ সেপ্টেম্বর ৷। ব্যাপক উৎসাহ উদ্দিপনার মধ্য দিয়ে শান্তিরবাজার মহকুমার অন্তর্গত বিভিন্ন প্রান্তে চলছে দূর্গাপূজার প্রস্তুতি কাজ। বাঙ্গালীর ১২ মাসে ১৩ পার্বন। এর মধ্যে হিন্দু ধর্ম অনুযায়ি বাঙ্গালীর শ্রেষ্ট উৎসব হলো দূর্গোৎসব। বছরে একবার মায়ের আগমনকে ঘিরে সকলে আনন্দে মাতোয়ারা। অন্যান্য বছরের ন্যায় এই বছরও রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের সাথে তাল মিলিয়ে ব্যাপক আনন্দের সহিত চলছে পূজার প্রস্তুতি কাজ। এরই মধ্যে শান্তিরবাজার ব্যাবসায়ী কমিটি ও গঞ্জেরটিলা পুরাতন হাসপাতাল রোডে পূজা কমিটির লোকজন মণ্ডপ নির্মানে ব্যাপক প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছে। এবারকার পূজায় শান্তিরবাজার ব্যাবসায়ী কমিটির পুজোর বাজেট প্রায় ৭ লক্ষ টাকা ও গঞ্জেরটিলা পূজা কমিটীর পূজার বাজেট প্রায় ৪ লক্ষ টাকা। ব্যবসায়ী কমিটির পূজা উদ্দ্যোগক্তারা ‘নিউজ আপডেট অব ত্রিপুরা ডট কম” প্রতিনিধিকে জানায়, বাজার কিছুটা মন্দা হবার কারনে অন্যান্য বছরের তুলনায় এবারকার পূজার বাজেট অনেকটা কমিয়ে এনেছেন তারা। অপরদিকে গঞ্জেরটিলা পূজা কমিটি স্বল্প বাজেটে এবারকার পূজার আকর্ষন হিসাবে রেখেছে মায়ের নবরূপ। উভয় পূজা কমিটির সদস্যবৃন্দদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, পূজার পাশাপাশি দুইটি পূজা কমিটি নানা সামাজিক কাজে অংশগ্রহন করবে।শান্তিরবাজারের বিভিন্ন প্রান্তে চলছে দূর্গাপূজার চূড়ান্ত প্রস্তুতি
বিশ্বেশ্বর মজুমদার, শান্তিরবাজার, ২৫ সেপ্টেম্বর ৷। ব্যাপক উৎসাহ উদ্দিপনার মধ্য দিয়ে শান্তিরবাজার মহকুমার অন্তর্গত বিভিন্ন প্রান্তে চলছে দূর্গাপূজার প্রস্তুতি কাজ। বাঙ্গালীর ১২ মাসে ১৩ পার্বন। এর মধ্যে হিন্দু ধর্ম অনুযায়ি বাঙ্গালীর শ্রেষ্ট উৎসব হলো দূর্গোৎসব। বছরে একবার মায়ের আগমনকে ঘিরে সকলে আনন্দে মাতোয়ারা। অন্যান্য বছরের ন্যায় এই বছরও রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের সাথে তাল মিলিয়ে ব্যাপক আনন্দের সহিত চলছে পূজার প্রস্তুতি কাজ। এরই মধ্যে শান্তিরবাজার ব্যাবসায়ী কমিটি ও গঞ্জেরটিলা পুরাতন হাসপাতাল রোডে পূজা কমিটির লোকজন মণ্ডপ নির্মানে ব্যাপক প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছে। এবারকার পূজায় শান্তিরবাজার ব্যাবসায়ী কমিটির পুজোর বাজেট প্রায় ৭ লক্ষ টাকা ও গঞ্জেরটিলা পূজা কমিটীর পূজার বাজেট প্রায় ৪ লক্ষ টাকা। ব্যবসায়ী কমিটির পূজা উদ্দ্যোগক্তারা ‘নিউজ আপডেট অব ত্রিপুরা ডট কম” প্রতিনিধিকে জানায়, বাজার কিছুটা মন্দা হবার কারনে অন্যান্য বছরের তুলনায় এবারকার পূজার বাজেট অনেকটা কমিয়ে এনেছেন তারা। অপরদিকে গঞ্জেরটিলা পূজা কমিটি স্বল্প বাজেটে এবারকার পূজার আকর্ষন হিসাবে রেখেছে মায়ের নবরূপ। উভয় পূজা কমিটির সদস্যবৃন্দদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, পূজার পাশাপাশি দুইটি পূজা কমিটি নানা সামাজিক কাজে অংশগ্রহন করবে।