আপডেট প্রতিনিধি, বক্সনগর, ১৪ আগষ্ট ৷। দীর্ঘদিন যাবত বন্ধ অবস্থায় পরে রয়েছে সোনামুড়া মহাকুমার সোনারপুর আয়ুর্বেদিক ঔষধালয় কেন্দ্র। প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত সাধারণ জনগন। স্বাস্থ্য কেন্দ্রটি এখন গরু ছাগল থাকার বাসস্থান হিসেবে পরিণত হয়েছে। এমনি চিত্র উঠে এসেছে সোনামুড়া মহাকুমার সোনাপুর আয়ুর্বেদিক ঔষধালয় কেন্দ্র থেকে। দীর্ঘ দুই বছর যাবত সেবা থেকে বঞ্চিত সোনাপুর কালাপানিয়া অঞ্চলের সাধারণ জনগণ। যেখানে এখনও শতাধিক মানুষ প্রতিনিয়ত স্বাস্থ্য সেবা নিতে এসে ফিরে যান। এলাকাবাসীদের দাবি দীর্ঘ দুই বছর যাবত কিছুটা পরিষেবা পেলেও দীর্ঘ ছয় মাস থেকে বন্ধ অবস্থায় রয়েছে ঔষধালয়টি। প্রাথমিক কোনো স্বাস্থ্য সেবা পাচ্ছেন না উনার। এলাকাবাসী বলেন, হঠাৎ কোনো অসুবিধা হলে তো আর মহাকুমার হাসপাতালে যাওয়া সম্ভব নয় গ্রামের মানুষ দের। এলাকাবাসীর মুখ থেকে শোনা যায়, এখানকার চিকিৎসক ও নার্সদেরকে নাকি ধনপুর হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। কিন্তু এই ঔষধালয় কেন্দ্রে কোনো চিকিৎসক নার্স দেওয়া হয় না। এলাকায়বাসীর অভিযোগ অনেক বার গ্রামের জনপ্রতিনিধিদেরকে জানানো হলেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। সাধারণ জনগণের দাবি স্বাস্থ্য দপ্তর যাতে এই বিষয়টি একটু নজরদারি করেন।বন্ধ অবস্থায় সোনারপুর আয়ুর্বেদিক ঔষধালয় কেন্দ্র, স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত সাধারণ জনগন
আপডেট প্রতিনিধি, বক্সনগর, ১৪ আগষ্ট ৷। দীর্ঘদিন যাবত বন্ধ অবস্থায় পরে রয়েছে সোনামুড়া মহাকুমার সোনারপুর আয়ুর্বেদিক ঔষধালয় কেন্দ্র। প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত সাধারণ জনগন। স্বাস্থ্য কেন্দ্রটি এখন গরু ছাগল থাকার বাসস্থান হিসেবে পরিণত হয়েছে। এমনি চিত্র উঠে এসেছে সোনামুড়া মহাকুমার সোনাপুর আয়ুর্বেদিক ঔষধালয় কেন্দ্র থেকে। দীর্ঘ দুই বছর যাবত সেবা থেকে বঞ্চিত সোনাপুর কালাপানিয়া অঞ্চলের সাধারণ জনগণ। যেখানে এখনও শতাধিক মানুষ প্রতিনিয়ত স্বাস্থ্য সেবা নিতে এসে ফিরে যান। এলাকাবাসীদের দাবি দীর্ঘ দুই বছর যাবত কিছুটা পরিষেবা পেলেও দীর্ঘ ছয় মাস থেকে বন্ধ অবস্থায় রয়েছে ঔষধালয়টি। প্রাথমিক কোনো স্বাস্থ্য সেবা পাচ্ছেন না উনার। এলাকাবাসী বলেন, হঠাৎ কোনো অসুবিধা হলে তো আর মহাকুমার হাসপাতালে যাওয়া সম্ভব নয় গ্রামের মানুষ দের। এলাকাবাসীর মুখ থেকে শোনা যায়, এখানকার চিকিৎসক ও নার্সদেরকে নাকি ধনপুর হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। কিন্তু এই ঔষধালয় কেন্দ্রে কোনো চিকিৎসক নার্স দেওয়া হয় না। এলাকায়বাসীর অভিযোগ অনেক বার গ্রামের জনপ্রতিনিধিদেরকে জানানো হলেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। সাধারণ জনগণের দাবি স্বাস্থ্য দপ্তর যাতে এই বিষয়টি একটু নজরদারি করেন।