বিশ্বেশ্বর মজুমদার, শান্তিরবাজার, ২৬ এপ্রিল || মঙ্গলবার বীরচন্দ্র মনু কৃষান বিজ্ঞান কেন্দ্রে এক অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠীত হয় কৃষান মেলা-২০২২। এই কৃষান মেলায় দক্ষিন জেলার ৮টি ব্লক থেকে কৃষকরা অংশগ্রহন করেছে। এদিনের এই কৃষান মেলায় সার্বিক সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে বগাফা কৃষি দপ্তর। বিগতদিনে কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রের কি কাজ তা অধিকাংশ লোকজন জানতো না। বর্তমানে কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রের কাজগুলি সম্পর্কে লোকজনদের জানান দিচ্ছেন কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রের আধিকারিক বিশ্বজিৎ দেবনাথ ও বিজ্ঞানী সঞ্জয় রায়। অপরদিকে কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রের বিভিন্ন উপকারিতার দিকগুলি সরাসরি মাঠে পৌঁছে দিচ্ছে বগাফা কৃষি দপ্তরের তত্বাবধায়ক সুজিত কুমার দাস। বগাফা কৃষি দপ্তরের তত্বাবধায়ক ও বগাফা কৃষি দপ্তরের অন্যান্য কর্মীদের সহযোগীতায় এদিনের এই কৃষান মেলা সফল হয়েছে। এই কৃষান মেলায় ৮টি ব্লকথেকে আগত কৃষকদের মধ্যে বাছাই করে ২০ জনকে পুরষ্কৃত করা হয়েছে। যার মধ্যে বিশেষ সাফল্য অর্জন করেছে বগাফা কৃষি দপ্তর। বগাফা কৃষি দপ্তরের অধীনে মাশরুম চাষের জন্য, ফুল চাষের জন্য বিশেষ সুনাম অর্জন করেছে। কৃষি দপ্তরের তত্বাবধায়কের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে কৃষকরা কৃষি কাজে এগিয়ে যাচ্ছে। কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রে এই কৃষান মেলায় কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রের উদ্দ্যোগে রকমারী সব্জীর উপর একটি প্রদশনী স্টল দেওয়া হয়ে। এই কৃষান মেলার প্রদীপ প্রজ্বলনের মধ্যদিয়ে ও ফিতা কেটে প্রদর্শনী স্টলের শুভ উদ্ভোধন করলেন দক্ষিন জেলার জেলা পরিষদের সহ-সভাধিপতি বিভিষন চন্দ্র দাস। উদ্ভোধকের পাশাপাশি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বগাফা কৃষি দপ্তরের তত্বাবধায়ক সুজীত কুমার দাস, কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রের আধিকারিক বিশ্বজিৎ দেবনাথ সহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দরা। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিশ্বজিৎ দেবনাথ কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রের বিভিন্ন দিকগুলি সম্পর্কে কৃষককে জানান দেন। তিনি অনুষ্ঠানে উপস্থিত কৃষকদের উন্নয়নে প্রতিনিয়ত কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রে যোগাযোগ রাখার জন্য পরামর্শ দেন। যাতে করে কৃষকরা নতুন প্রযুক্তি বিদ্যার মাধ্যমে কৃষি কাজ করে ভালো ফসল উৎপাদন করতে পারেন। অপরদিকে উদ্ভোধক উনার বক্তবের মধ্যদিয়ে রাজ্য সরকার ও কেন্দ্রীয় সরকার কৃষকদের উন্নয়ন প্রকল্পে কি কি কাজ করছে তা জানান দেন। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত কৃষকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা যায়।
