গোপাল সিং, খোয়াই, ২৯ জুন || গত বছর ০৫/০২/২০২১ তারিখে তেলিয়ামুড়া দুষ্কি এলাকা থেকে নিখোঁজ হয় ৫ বছরের এক নাবালিকা। ঘটনার পর ২৬/০২/২০২১ তারিখে, তেলিয়ামুড়া থানায় গিয়ে নিখোঁজ মেয়েকে ফিরে পেতে আর্জি জানিয়ে পিতা বিকাশ দেববর্মা একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেন। যার নম্বর ২৬/২১। তেলিয়ামুড়া থানার তদন্তকারী অফিসার তদন্তে নেমে কালিকুমার ত্রিপুরা (অভিজিৎ) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ চালায়। গত ২৭/০২/২০২১ তারিখে, জেরার মুখে অভিযুক্ত যুবকের শিকারোক্তি মুলে জানা যায়, নাবালিকাকে ধর্ষণ করে খুন করেছে কালিকুমার ত্রিপুরা ওরফে অভিজিৎ। পরে নাবালিকার পঁচাগলা মৃতদেহ উদ্ধার করে তেলিয়ামুড়া থানার পুলিশ। জানা যায়, ধর্ষণের পর প্রমান লোপাটের জন্য নাবালিকার মৃতদেহ মাটিচাপা দিয়েছিল অভিযুক্ত কালিকুমার ত্রিপুরা। এরপর তদন্ত শেষে গত ২৬/১০/২০২১ তারিখে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে 376-AB-302, 201 IPC ধারায় চার্জশিট জমা করেন তদন্তকারী অফিসার বিশ্বেস্বর সিনহা। পক্সো আইনে ০৬ ধারায় এই মামলা চলে ১ বছর ৪ মাস। বুধবার সন্ধ্যা ৭টা বেজে ২৬ মিনিট, বিচারপতি শঙ্করী দাস এক ঐতিহাসিক রায়ের মধ্য দিয়ে কালিকুমার ত্রিপুরা ওরফে অভিজিতকে দোষী সাব্যস্ত করেন এবং তাকে মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত করেন। আদালতের এই রায়ে স্বস্তির ছাপ মৃতা নাবালিকার পরিবারে। এলাকার জনগণও খুশী।
