সাগর দেব, তেলিয়ামুড়া, ২৭ সেপ্টেম্বর || অপেক্ষার আর মাত্র সাত দিন বাকি। এরপরেই শরতের শারদীয়া দুর্গো উৎসবের ঢাকে কাটি পড়বে। বেজে উঠবে উৎসবের দামামা। মূলত হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের প্রধান উৎসব হিসাবে শরতের শারদীয়া দুর্গো পূজো বলে বিবেচিত। গোটা রাজ্যবাসীর সাথে তাল মিলিয়ে তেলিয়ামুড়াবাসী ও শারদীয়া পূজোর উৎসবের দিনগুলিতে এক অনাবিল আনন্দে মাতোয়ারা হয়ে উঠবে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে শারদীয়া পূজোর উদ্যোক্তারা নিজেদের সাধ্যমত পূজো করার সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন। তেলিয়ামুড়ার সু’পরিচিত বনেদি ক্লাব গুলির মধ্যে বুলেট ক্লাব এক অন্যতম। এই ক্লাবের সদস্যরা বিগত বছর গুলিতে বেশ সাড়া জাগানো দুর্গাপূজো এবং কালীপূজা সংঘটিত করেছিল। বিগত দুই বছর করোনার দাপাদাপির ফলে বুলেট ক্লাবের সদস্যরা নিজেদের সদস্য চাঁদা দিয়ে পূজা সংগঠিত করেছিলেন। কিন্তু এবছর করোনা’র তেমন দাপাদাপি নেই। সেই দিক দিয়ে বিচার বিবেচনা করে বুলেট ক্লাবের সদস্যরা এবার জাঁকজমকপূর্ণ পূজো করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শারদীয়ার অঙ্গ হিসেবে ক্লাবের সদস্যরা কাল্পনিক মন্দির তৈরি করার সিদ্ধান্ত নেন। পূজার প্যান্ডেলের নির্মাণের কাজ চলছে জোর কদমে। কারণ হাতে গোনা আর মাত্র কয়েকটা দিন শারদীয়ার উৎসবে মেতে উঠতে চলেছে গোটা রাজ্য। এদিকে বুলেট ক্লাবের শারদীয়া পূজো কমিটির সম্পাদক রিপন পাল কথা প্রসঙ্গে জানান, এবারের শারদীয়া দুর্গো পূজোর বাজেট ১২ লাখ টাকা। এরমধ্যে থাকবে পূজোর কাল্পনিক মন্দির, কচিকাঁচা শিশুদের আনন্দ উপভোগের লক্ষে তৈরি করা হবে কিছু বিনোদনমূলক ব্যবস্থা। এছাড়াও ক্লাবের সদস্যরা রক্তদান সহ বেশ কয়েকটি সামাজিক কর্মসূচিও সেরে নিয়েছে। পূজোর চারটি দিন। দর্শনার্থীদের আনন্দ দেওয়ার জন্য ক্লাব সদস্যরা বদ্ধপরিকর। তার জন্য ক্লাবের সদস্যরা সব ধরনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। বিগত দিনগুলোতেও বুলেট ক্লাবের সদস্যরা যেমন সারা জাগানো পূজো সংঘটিত করেছিল তেমনি দর্শনার্থীদের আকৃষ্ট করে তুলেছিলেন। তাই এবছরও এই ক্লাবে সদস্যরা দর্শনার্থীদের আনন্দ দেওয়ার জন্য সামাজিক কর্মসূচি সহ সব ধরনের কর্মসূচি হাতে নিয়েছে বলে জানান, পূজো কমিটির সম্পাদক রিপন পাল।
