গোপাল সিং, খোয়াই, ১৫ নভেম্বর || সীমান্তঘেঁষা সোনামুড়া এলাকায় ফের আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। গোপন সূত্রে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাতে সোনামুড়া থানা ও বিএসএফ-এর যৌথ অভিযানে শ্রীমন্তপুর পঞ্চায়েতের ভুগজুড় এলাকায় বাবুল মিয়ার বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে একটি আগ্নেয়াস্ত্রসহ তাকে আটক করা হয়।
সূত্রের খবর, শ্রীমন্তপুর এলাকার বাসিন্দা বাবুল মিয়ার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরেই অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র ও চোরাচালানের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ ছিল। এদিন গোপন তথ্যের পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ ও বিএসএফ যৌথভাবে বাবুল মিয়ার বাড়ি ঘেরাও করে তল্লাশি শুরু করে।
অভিযান চলাকালে প্রথম পর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে লিপ্ত হয় বাবুল মিয়া এবং তার স্ত্রী মোরশেদা বেগম। তবে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা ও দক্ষতায় শেষ পর্যন্ত দুজনকেই নিয়ন্ত্রণে আনা হয় এবং আটক করা হয়।
তল্লাশিতে বাড়ির একটি আলমারি ও বিছানার তলায় লুকিয়ে রাখা একটি দেশি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করে পুলিশ ও বিএসএফ। প্রাথমিক তদন্তে অনুমান করা হচ্ছে, অস্ত্রটি অবৈধ পাচারের চক্রের অংশ হিসাবে বাড়িতে রাখা হয়েছিল।
পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, আটক বাবুল মিয়ার বিরুদ্ধে আগ্নেয়াস্ত্র আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে এবং অস্ত্রটি ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে। তার স্ত্রী মোরশেদা বেগমকেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক রাখা হয়েছে।
পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, “গোপন সূত্রে পাওয়া তথ্যকে কেন্দ্র করে এই অভিযান চালানো হয়। ধস্তাধস্তির মাধ্যমে বাধা দেওয়ার চেষ্টা হলেও আমাদের টিম খুব দক্ষতার সঙ্গে পরিস্থিতি সামলে অস্ত্র উদ্ধার ও অভিযুক্তদের আটক করতে সক্ষম হয়।”
এই ঘটনায় সীমান্তবর্তী এলাকায় অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র চক্র নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা দাবি করেছেন, এই ধরনের চোরাচালান ও অস্ত্র ব্যবসা বন্ধে আরও কঠোর নজরদারি প্রয়োজন।
