NextGen HRMS-এর চার নতুন মডিউলের রাজ্যস্তরীয় আনুষ্ঠানিক সূচনা, ডিজিটাল প্রশাসন আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ

আপডেট প্রতিনিধি, আগরতলা, ০৮ সেপ্টেম্বর || স্বচ্ছতা ও দ্রুততার সঙ্গে সরকারি পরিষেবা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে ত্রিপুরায় আরও একধাপ এগিয়ে গেল ডিজিটাল প্রশাসন ব্যবস্থা। মঙ্গলবার আগরতলার প্রজ্ঞা ভবনে অর্থ, পরিকল্পনা ও তথ্যপ্রযুক্তি দপ্তরের উদ্যোগে NextGen HRMS পোর্টালের অধীনে চারটি নতুন মডিউলের রাজ্যস্তরীয় আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী প্রণজিৎ সিংহ রায়।
অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী প্রণজিৎ সিংহ রায় বলেন, স্বচ্ছতার সঙ্গে সরকারি সুযোগ-সুবিধা জনগণের কাছে সহজে পৌঁছে দেওয়াই সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। সেই লক্ষ্যেই কর্মক্ষেত্রে পেপারলেস ই-অফিস ব্যবস্থাপনা কার্যকর করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ডিজিটাল ইন্ডিয়ার স্বপ্নকে সামনে রেখে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহার নেতৃত্বে ত্রিপুরাতেও ডিজিটাল প্রশাসন ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার কাজ চলছে বলে জানান তিনি।
অর্থমন্ত্রী বলেন, বিধানসভা থেকে শুরু করে ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত ব্যবস্থা পর্যন্ত পেপারলেস ই-অফিস চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর ফলে প্রশাসনিক কাজে গতি আসার পাশাপাশি স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পাবে এবং সাধারণ মানুষ কম সময়ে ও সহজে ঘরে বসেই বিভিন্ন সরকারি পরিষেবা গ্রহণ করতে পারবেন।
সরকারি কর্মচারীদের ছুটি, জিপিএফ, পেনশন এবং ডিজিটাল সার্ভিস বুক সংক্রান্ত পরিষেবা নির্ধারিত সময়ে ও আরও সহজভাবে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই NextGen HRMS-এর নতুন মডিউলগুলি চালু করা হয়েছে। এই উদ্যোগ মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনাকে আরও সুসংগঠিত করার পাশাপাশি সরকারি প্রশাসনের দক্ষতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী বোতাম টিপে ডিজিটাল সার্ভিস বুক-সহ চারটি অনলাইন পরিষেবার আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন। এনআইসি ত্রিপুরার তত্ত্বাবধানে এই ডিজিটাল পরিষেবাগুলি চালু করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অর্থ সচিব ডাঃ প্রশান্ত কুমার গোয়েল, প্রধান অ্যাকাউন্ট্যান্ট জেনারেল (অডিট) শৈলেন্দ্র বিক্রম সিং, অ্যাকাউন্ট্যান্ট জেনারেল (এ অ্যান্ড ই) রনেন্দ্র সরকার, অর্থ দপ্তরের অতিরিক্ত সচিব ডাঃ আকিঞ্চন সরকার-সহ বিভিন্ন দপ্তরের সচিব, এনআইসি, অর্থ বিভাগ এবং কোষাগার প্রশাসনের আধিকারিক ও কর্মীরা।
নতুন এই মডিউলগুলির মাধ্যমে সরকারি মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা আরও প্রযুক্তিনির্ভর, স্বচ্ছ ও কার্যকর হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। পাশাপাশি সরকারি কর্মী ও প্রশাসনের মধ্যে পরিষেবা প্রদানের প্রক্রিয়াও আরও দ্রুত ও নির্বিঘ্ন হবে।

FacebookTwitterGoogle+Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*