বিশ্বেশ্বর মজুমদার, শান্তিরবাজার, ০৫ মার্চ ৷৷ জলমগ্ন শান্তির বাজার জেলা হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড। তথাকথিত বিগত বাম আমলে শান্তির বাজারের উন্নয়নের কথা মাথায় রেখে ২৭শে মার্চ ২০১৫ সালে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারের হাত ধরে শান্তির বাজার জেলা হাসপাতালের শুভ উদ্বোধন হয়। এই জেলা হাসপাতালটি নির্মানের সময় সমস্ত কাজ দেখাশোনা করেছেন প্রাক্তন স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাদল চৌধুরী। বাদল বাবুর নেতৃত্বে নির্মান করা এই জেলা হাসপাতালের খেসারত দিতে হচ্ছে রোগীদের, এমনটাই অভিযোগ হাসপাতালে চিকিৎসারত রোগীদের। জানা যায়, বাদল বাবুর একান্তিক ইচ্ছা ছিলো জেলা হাসপাতালটি বিলোনিয়া স্থাপন করার জন্য, কিন্তু এই ব্যাপারে তিনি অক্ষম হন। চাপে পরে বাধ্য হয়ে জেলা হাসপাতালটি শান্তির বাজার নির্মান করা হয়। এই হাসপাতাল নির্মানে নিম্ন মানের জিনিষপত্র ব্যবহার করা হয় বলে অভিযোগ। যার চিত্র এখন সকলের সামনে ফুটে উঠছে। হাসপাতাল নির্মানের পর থেকেই বৃষ্টি হলেই ছাঁদ চুইয়ে জল পরতো বলে অভিযোগ। যা এখন আরো বেড়ে গেছে। মঙ্গলবারের বৃষ্টিতে রোগিদের বিভিন্ন ওয়ার্ড জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। এই জল পরার ঘটনাটি বর্তমান স্বাস্থ্যমন্ত্রী সুদীপ রায় বর্মণও জানেন বলে জানা যায়। স্বাস্থ্যমন্ত্রী সুদীপ রায় বর্মণ এই বিষয়ে পদক্ষেপ নেবেন বলে জানিয়েছেন। কিন্তু এখনো পর্যন্ত কাজের কাজ কিছুই হয় নি। শান্তির বাজার জনমনে একটাই প্রশ্ন এই সামান্য বৃষ্টিতে হাসপাতালের এই অবস্থা। সামনে বর্ষাকালে এই হাসপাতালের কি অবস্থা হবে? জেলা হাসপাতালে চিকিৎসারত রোগিদের কাছ থেকে জানা যায়, বৃষ্টির সময় উনাদের অনেক কষ্টের সন্মুখিন হতে হয়।সামান্য বৃষ্টিতেই ছাঁদ চুইয়ে জল পরে জলমগ্ন হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড
বিশ্বেশ্বর মজুমদার, শান্তিরবাজার, ০৫ মার্চ ৷৷ জলমগ্ন শান্তির বাজার জেলা হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড। তথাকথিত বিগত বাম আমলে শান্তির বাজারের উন্নয়নের কথা মাথায় রেখে ২৭শে মার্চ ২০১৫ সালে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারের হাত ধরে শান্তির বাজার জেলা হাসপাতালের শুভ উদ্বোধন হয়। এই জেলা হাসপাতালটি নির্মানের সময় সমস্ত কাজ দেখাশোনা করেছেন প্রাক্তন স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাদল চৌধুরী। বাদল বাবুর নেতৃত্বে নির্মান করা এই জেলা হাসপাতালের খেসারত দিতে হচ্ছে রোগীদের, এমনটাই অভিযোগ হাসপাতালে চিকিৎসারত রোগীদের। জানা যায়, বাদল বাবুর একান্তিক ইচ্ছা ছিলো জেলা হাসপাতালটি বিলোনিয়া স্থাপন করার জন্য, কিন্তু এই ব্যাপারে তিনি অক্ষম হন। চাপে পরে বাধ্য হয়ে জেলা হাসপাতালটি শান্তির বাজার নির্মান করা হয়। এই হাসপাতাল নির্মানে নিম্ন মানের জিনিষপত্র ব্যবহার করা হয় বলে অভিযোগ। যার চিত্র এখন সকলের সামনে ফুটে উঠছে। হাসপাতাল নির্মানের পর থেকেই বৃষ্টি হলেই ছাঁদ চুইয়ে জল পরতো বলে অভিযোগ। যা এখন আরো বেড়ে গেছে। মঙ্গলবারের বৃষ্টিতে রোগিদের বিভিন্ন ওয়ার্ড জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। এই জল পরার ঘটনাটি বর্তমান স্বাস্থ্যমন্ত্রী সুদীপ রায় বর্মণও জানেন বলে জানা যায়। স্বাস্থ্যমন্ত্রী সুদীপ রায় বর্মণ এই বিষয়ে পদক্ষেপ নেবেন বলে জানিয়েছেন। কিন্তু এখনো পর্যন্ত কাজের কাজ কিছুই হয় নি। শান্তির বাজার জনমনে একটাই প্রশ্ন এই সামান্য বৃষ্টিতে হাসপাতালের এই অবস্থা। সামনে বর্ষাকালে এই হাসপাতালের কি অবস্থা হবে? জেলা হাসপাতালে চিকিৎসারত রোগিদের কাছ থেকে জানা যায়, বৃষ্টির সময় উনাদের অনেক কষ্টের সন্মুখিন হতে হয়।